Showing posts with label ল্যাপটপ টিপস. Show all posts
Showing posts with label ল্যাপটপ টিপস. Show all posts

Monday, October 20, 2014

ফোল্ডারের আইকন তৈরী করুন নিজের পিকচার দিয়ে

আমাদের অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে ফোল্ডার আইকন হিসাবে নিজের ছবিটা ব্যবহার করি। কিন্তু সঠিক উপায় না জানার কারনে আমরা এটা করতে পারি না।আবার অনেকই হয়তো পদ্ধতিটা জানেন। যারা জানেন না কি করলে আপনি আপনার নিজের ছবি ফোল্ডার আইকন হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন তাদেরও আর কোন চিন্তা নেই।নিচের কাজ টি করলেই আপনার সমস্যার সমাধান। প্রথমে আপনার ছবি বাছাই করুন, এর পর আপনার ছবিটি পেইন্ট এর মাধ্যমে open করে save as এ গিয়ে bmp Format করে Save করুন।
এর পর ছবিটি কাট/কপি করে
C: Drive> Windows> System32> Past করুন।
এবার আপনি নতুন একটা ফোল্ডার করে তার Properties> Customize> Change logo> Browser>এখন আপনার ছবিটি যে নাম দিয়ে save করে ছিলেন সেটা খুজুন এবং সিলেক্ট করে
Ok> Apply> Ok করুন।
এবার দেখুন আপনার ছবিটি আইকন হয়ে গেছে।

Friday, October 10, 2014

ল্যাপটপ কেনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন তাদের জানা দরকার গত কয়েক বছরে ল্যাপটপের নকশা ও প্রযুক্তিতে ব্যাপক ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন সাধ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ বেছে নেওয়াটা কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ল্যাপটপ কেনার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে। টাচস্ক্রিন আপনি যদি টাচ বা স্পর্শ করে পণ্য চালাতে পছন্দ করেন, তবে টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ আপনার জন্য ভালো হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উইন্ডোজ ৮ ইন্টারফেসের টাইল ও জেশ্চার আপনার টাচস্ক্রিন অভিজ্ঞতাকে উন্নত করবে এবং তা সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর ল্যাপটপগুলোতে ওয়েব পেজ ব্যবহার করা সহজ। এ ছাড়াও ছবি ও ডকুমেন্টস দেখতেও সুবিধা হয়। টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ আপনি কিবোর্ডযুক্ত ল্যাপটপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে টাচস্ক্রিন সুবিধার ল্যাপটপ পাবেন। সাধারণত সিনেমা দেখা, গান শোনা, ইন্টারনেট ব্যবহার করাসহ ছোটখাটো কাজের জন্য কম দামের ল্যাপটপ কেনাই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে ১৫ ইঞ্চি পর্দার মনিটরসহ ল্যাপটপ কিনতে পারেন। নকশা ও ওজন আপনি যদি বেশি বেশি ভ্রমণ করেন তখন আপনার জন্য হালকা-পাতলা ল্যাপটপ বা আলট্রাবুক ভালো হবে। ১২ থেকে ১৩ ইঞ্চি মাপের যে ল্যাপটপে দীর্ঘক্ষণ চার্জ থাকে সেটি কিনবেন। যদি বাড়ি বা অফিসের কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চান তবে ১৪ ইঞ্চি বা ১৫.৬ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ কিনুন। আপনি যদি গেমার বা ছবি ও ভিডিও সম্পাদনার কাজের জন্য ল্যাপটপ চান তবে আপনাকে শক্তিশালী ল্যাপটপ বেছে নিতে হবে। এ জন্য ১৫.৬ বা ১৭ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ কিনতে পারেন। আপনি যদি সব সময় সঙ্গে করে ল্যাপটপ নিয়ে ঘোরেন তবে আপনার জন্য ধাতব কাঠামোর ল্যাপটপ যুত্সই হবে। আপনার ল্যাপটপ যদি বাড়ির সকলেই ব্যবহার করে তবে তা ধাতব কাঠামো ও করপোরেট মডেলের হলে ভালো হবে। প্রচলিত প্রায় সব ল্যাপটপের ব্যাটারি লিথিয়াম আয়নের হয়ে থাকে। এতে যত বেশি সেল (৪-১২) থাকবে, ব্যাটারি তত বেশি সময় চার্জ ধরে রাখতে পারবে। তথ্য ধারণ ক্ষমতা ল্যাপটপ কেনার সময় খেয়াল রাখবেন তাতে কতটুকু তথ্য আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এখনকার দিনে ১৫.৬ ইঞ্চি ল্যাপটপ ছাড়া অপটিক্যাল ড্রাইভের ব্যবহার কম দেখা যায়। এখন হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ফ্ল্যাশ ভিত্তিক ড্রাইভ এসএসডিও ব্যবহার হতে দেখা যাচ্ছে। ফ্ল্যাশ স্টোরেজ দামি হলেও এর নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম। এর আকার ছোট এবং কাজ করে দ্রুত। অপারেটিং সিস্টেম অনেকেই অল্প কিছু অর্থ সাশ্রয়ের জন্য প্রি-লোডেড অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর ল্যাপটপ কেনেন না। কিন্তু নিজে থেকে ওএস এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ইনস্টল করা কঠিন ও সময় সাপেক্ষ। ল্যাপটপ কেনার সময় আপনি যে অপারেটিং সিস্টেমে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেটি ইনস্টল করুন। ল্যাপটপের আকার যদি বাড়ি বা অফিসের জন্য ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবেন তবে ল্যাপটপের আকার বড় হওয়া ভালো। এতে চোখের সুবিধা হবে এবং কাজের জন্য সুবিধা পাবেন। যদি কোনো প্রেজেন্টেশন দেওয়ার জন্য ল্যাপটপ কিনতে হয় তবে তা হালকা-পাতলা ও ছোট স্ক্রিনের হলে ভালো হয়। ফিচার ভালো একটি ল্যাপটপে ইনটেল বা এএমডির মাল্টিকোর সিপিইউ থাকলে ভালো। ৩-৪ টি ইউএসবি পোর্ট এবং ল্যাপটপটি দ্রুতগতির কিনা তা দেখে নেওয়া বাঞ্চনীয়। সাধারণত উচ্চ রেজ্যুলেশনের গেম খেলা, ভিডিও সম্পাদনা এবং গ্রাফিকসের কাজের জন্য উচ্চ গতির ল্যাপটপ কেনা জরুরি। এ জন্য প্রসেসরের ক্লক স্পিড ৩.০ গিগাহার্টজ বা এর বেশি হলে ভালো হয়। প্রসেসর কোন সিরিজের (কোর আইথ্রি, ফাইভ, সেভেন) তা জেনে নেওয়াও জরুরি। কেনার আগে অবশ্যই গ্রাফিকস সক্ষমতা কেমন দেখে নেবেন। ভিডিও সম্পাদনা এবং গ্রাফিকসের কাজের জন্য কমপক্ষে ৪ গিগাবাইটের ডিডিআরথ্রি র্যাম হলে ভালো হবে। ব্র্যান্ড পুরোনো ল্যাপটপ কেনার সময় সতর্ক থাকুন। ওয়ারেন্টি দেখে নিন। পরিচিত ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ কেনার আগে তাদের বিক্রয় পরবর্তী সেবা ও অতীতে তাদের ল্যাপটপ বিক্রির রেকর্ড সম্পর্কে জানা থাকলে ভালো হবে। কেনার সময় অবশ্যই ওয়ারেন্টি কার্ড, চার্জার, ব্যাগ ইত্যাদি আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যা আপনার ল্যাপটপের সঙ্গেই পাচ্ছেন তা বুঝে নেবেন। এ ছাড়া সব সময় অনুমোদিত ডিলার, আমদানিকারক, বিশ্বস্ত মাধ্যম বা দোকান থেকে ল্যাপটপ কিনুন।

Thursday, October 9, 2014

Windows 7 এর লুকানো থিম দেখে নিন

উইন্ডোজ ৭ এ বেশ কয়েকটি থিম থাকে। আপনি কোন ভাষাটি আপনার পিসির জন্য নির্বাচন করেছেন এর উপর ভিত্তি করে একটি থিম দেয়া হয়।কিন্তু আপনি চাইলে খুব সহজেই সবগুলো থিম ব্যবহার করতে পারেন। ১ উইন্ডোজ+R টিপে রান খুলুন। ২ globalization লিখে এন্টার দিন। ৩ এবার একটি নতুন উইন্ডো খুললে সার্চ বক্সে mct লিখে সার্চ দিন। ৪ উপরের উইন্ডোতে আপনারা MCT-AU, MCT- CA, MCT-GB, MCT-US এবং MCT-ZA ফোল্ডারগুলো উপেন করলে theme নামের একটি ফোল্ডার পাবেন।ফোল্ডারটি উপেন করে ভিতরের ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন। এবার উইন্ডোটি ক্লোজ করে আপনার পিসির ব্যাকগ্রাউন্ডে নজর দিন……। এভাবে বাকি থিমগুলোও আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন।