Showing posts with label বিজ্ঞান & প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান & প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য. Show all posts

Saturday, November 8, 2014

আইসোম্যাট্রিক এই জগতের সুপারস্ট্রিং থিওরি এবং কিছু কথা

ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার সূত্রের ভেতর দিয়ে আমাদের পৃথিবী ভালোই চলছিল। ঠিক তখনি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সুত্র পুরো মহাজগতের ধারণাই পাল্টে দেন। আমাদেরকে মহাবিশ্ব নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করতে প্রভাবিত করে। কেননা চিরায়ত জ্ঞানে স্থান-কাল বিষয়টি সূত্রের তাত্ত্বিক বিবেচনায় কোন বাঁধা হিসেবে ছিল না।

কিন্তু আইনস্টাইন এসে এখানে দ্বিধাবিভক্ত করে ফেললেন। সেই দ্বিধাবিভক্তময় মহাবিশ্বের একটি তত্ত্ব হলো সুপার স্ট্রিং থিওরি বা মহাজাগতিক সুতা তত্ত্ব।

পেছন ফিরে দেখাঃ

আইনস্টাইনের আগ পর্যন্ত আমাদের ধারণাই ছিল না যে, মহাজগতের মধ্যে কোন একটি বিষয় নিয়ে তোমাকে ভাবতে হলে অবশ্যই স্থান ও কাল এবং মাত্রাকে বিবেচনা করতে হবে ।

সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব মহাবিশ্ব এবং পদার্থবিদ্যার ধারণা এতটাই পাল্টে দিলো যে প্রথমদিকে পুরো বিষয়টা জগাখিচুড়ি পাকিয়ে ফেললো। এই জগাখিচুড়ি ভাবটা দূর করতে বিজ্ঞানীরা নতুন নতুন কিছু ধারণা দিতে শুরু করলেন। আর এই সকল ধারণা থেকেই উৎপত্তি ঘটলো কোয়ান্টাম ফিজিক্সের। শুরু হলো ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স আর কোয়ান্টাম ফিজিক্সের দ্বন্দ্ব। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স যেখানে সবকিছুকে সূত্রের বাঁধনে বাঁধতে চায় সেখানে কোয়ান্টাম ফিজিক্স বলছে আপনি সবকিছুকে সূত্রের বাধনে বাঁধতে পারবেন না।

তাই তারা যেখানে সমাধান খুজে পাওয়া যাচ্ছে না, সেখানে আনলেন সিঙ্গুলারিটি ধারণা। গত শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই দ্বন্দ্ব বজায় ছিল। তারপর বিজ্ঞানিরা ভাবলেন দন্দের অবসান করবেন। সেটি কিভাবে চিরায়ত পদার্থবিদ্যা আর কোয়ান্টাম ফিজিক্সকে একীভূত করবেন। সবকিছু একই সুত্রে আনবেন, সেটি হবে গ্র্যান্ড ইউনিফাইড থিওরি।

এটিই হলো দি থিওরি অব এভরিথিং বা সবকিছুর তত্ত্ব। তাই সারাবিশ্বের সকল বিজ্ঞানীরা চারটি মৌলিক বলকে এক করার সংগ্রামে নামলেন। মহাকর্ষ বল, তড়িৎচুম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লিয় বলকে এক করা গেল। কিন্তু সমস্যা বাধলো সবল নিউক্লীয় বলকে একীভূত করা নিয়ে একে কোনভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিলো না। আর তখনি বিজ্ঞানীরা সুপারস্ট্রিং থিওরির ধারণাটি পৃথিবীর সামনে আনলেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুপারস্ট্রিং এই ধারণাটি আসলে নতুন কিছু নয়। আজ থেকে হাজার বছর আগে গ্রীসে বাস করতেন একজন মহামনীষী তিনি হলে পীথাগোরাস। মহাবিশ্ব যে একটি সুতায় বন্দী এই কথাটি তিনিই প্রথম বলেছিলেন।

সুপারস্ট্রিং থিওরি কি?

স্ট্রিং মানে সুতা আর সুপারস্ট্রিং হলো মহাজাগতিক সুতা। আমাদের মহাজগতটি একটি সুতায় বাঁধা। এই সুতাটি আমাদের জগতের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।

এটিই হলো জগতের একমাত্র মৌলিক বস্তু । সকল বল এরসাথে প্যাঁচানো অবস্থায় রয়েছে।

১৯৬০ সালে গ্র্যান্ড ইউনিফাইড থিওরি তৈরি করতে গিয়ে একদল বিজ্ঞানী স্ট্রিং থিওরির দিকে ঝুঁকে পড়েন। তারা হলেন জাপানের ইয়োইচিরো নামবু, ডেনমার্কের হোল্গার বেখ, যুক্তরাষ্ট্রের লেনার্ড সাসকিন্ড এবং জন হেনরি শোয়ার্জ।

তবে এই ধারণাটির পেছনে প্রথমে জ্বালানি যুগিয়েছিলেন জার্মানির থিওডোর কালুতসা। তিনি প্রথম বলেন, আমাদের মহাবিশ্বকে চারমাত্রিক কেন হিসেব করতে হবে।

আমরা আরো বেশি মাত্রা কেন চিন্তা করি না । ব্যাপারটা একবার আপনি চিন্তা করুন আমরা তিনটি মাত্রার পর আর মাত্রাই বুঝতে পারি না সেখানে আরো বেশি মাত্রা কিভাবে বুঝবেন?

এই ধারণাটি প্রকাশের পর প্রথমদিকে বিজ্ঞানীরা সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, চারমাত্রার পর বাকি মাত্রাগুলো কোথায় থাকে। সত্যিকার অর্থে বাকী মাত্রাগুলো স্ট্রিঙের সাথে প্যাঁচানো অবস্থায় থাকে বলে আমরা তা দেখতে পাই না।

এই হলো আইসোম্যাট্রিক জগতের সুপারস্ট্রিং থিওরি । সুপারস্ট্রিং থিওরিতে নিউটনের মহাকর্ষ বল প্রযোজ্য হবে ।

কিন্তু এই ক্ষেত্রে জগতটি আমরা যেভাবে প্রতিসাম্য দেখি এটি সে রকম নয়। এটি হবে মহাপ্রতিসাম্য। আর সবচেয়ে মজার বিষয়টি হলো এখানে জগতের মাত্রা হবে কমপক্ষে ১০টি।

অর্থাৎ আপনি চারমাত্রার জগত থেকে এটিকে বুঝতে তো দুরের কথা দেখতেই পাবেন না ।

সূত্রঃ অনলাইন

বিজ্ঞান যেখানে ব্যর্থঃ বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে কিছু তথ্য

আপনারা প্রায় সকলেই শুনেছেন বা জানেন পৃথিবীর রহস্যময় স্থানগুলোর অন্যতম হলো বারমুডা ট্রায়াঙ্গল । এ কাহিনী হয়তো অনেকের জানা। কিন্তু সামপ্রতিক এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে কিছু নতুন তথ্য। রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের এসব কাহিনী নিয়েই রচিত হয়েছে আজকের চিত্র-বিচিত্র।

গবেষকরা পেয়েছেন, কিছু প্রকৃতিগত ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য ছাড়া এই ট্রায়াঙ্গল অন্য সব এলাকার মতোই স্বাভাবিক। পৃথিবীর সবচাইতে অভিশপ্ত স্থানগুলোর মধ্যে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বা ত্রিভুজকে অন্যতম মনে করা হয় সব সময়। এ পর্যন্ত এখানে যত রহস্যময় দুর্ঘটনা ঘটার কথা শোনা গেছে, অন্য কোথাও এত বেশি দুর্ঘটনা ঘটেনি কখনও। সে কারণে স্থানীয় অধিবাসীরা এই এলাকাটির নামকরণ করেছে পাপাত্মাদের ত্রিভুজ।

এই আটলান্টিক মহাসাগরে বারমুডা ত্রিভুজের অবস্থান। এ অঞ্চলটি সীমানাবদ্ধ তিনটি প্রান্ত দিয়ে। তাই এটিকে বলা হয়ে থাকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বা বারমুডা ত্রিভুজ। এই তিনটি প্রান্তের এক প্রান্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, একপ্রান্তে পুয়ের্টো রিকো এবং অপর প্রান্তে অবস্থিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বারমুডা দ্বীপ।

আসুন জেনে নেই রহস্যময় বারমুডার আয়তন ও রহস্যের কিছু তথ্য

বারমুডা ত্রিভুজের মোট আয়তন ১১৪ লাখ বর্গ কিলোমিটার। এটি ২৫-৪০ ডিগ্রি উত্তর আংশ এবং ৫৫-৫৮ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। এ অঞ্চলের অনেক রহস্যময়তার একটি দিক হল, কোনও জাহাজ এই ত্রিভুজ এলাকায় প্রবেশ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বেতার তরঙ্গ প্রেরণে একেবারেই অক্ষম হয়ে পড়ে।

উপকূলের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয় এবং কোন একসময় দিক নির্ণয় করতে না পেরে রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়।

মার্কিন নেভির সূত্র বলেছে, গত ২শ’ বছরে এ এলাকায় কমপক্ষে ৫০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং ২০টি বিমান অদৃশ্য হয়েছে। যার কোন হদিস আজও পাওয়া যায়নি। হারিয়ে যাওয়া জাহাজের মধ্যে ১৯৬৮ সালের মে মাসে হারিয়ে যাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক ডুবোজাহাজের ঘটনাটি সারাবিশ্বে সবচাইতে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সেই রহস্য এখনও অনুদঘাটিত।

আরেকটি ঘটনা ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই ৫টি বোমারু বিমান প্রশিক্ষণ চলাকালীন হারিয়ে যায়। হারিয়ে যাবার আগ মুহূর্তে বৈমানিকদের একজন অতি নিম্ন বেতার তরঙ্গ পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার সেই বেতার বার্তাতে বারবার একটি শব্দই বার বার বলা হচ্ছিল, ‘সামনে প্রচণ্ড কুয়াশা। আমরা কিছু দেখতে পাচ্ছি না। কোথায় যাচ্ছি তাও বুঝতে পারছি না। আমাদের উদ্ধার করো।’ জানা যায়, এ বার্তা পাওয়ার পরপরই মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি উদ্ধারকারী টিম এ অঞ্চলের দিকে রওনা হয়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো কিছুক্ষণ পরে উদ্ধারকারী টিমও নিখোঁজ হয়ে যায় ।

ঠিক এভাবেই ওই এলাকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫শ’ লোক প্রাণ হারিয়েছে বলে মনে করা হয়। সবচাইতে আশ্চর্যের বিষয় হল, হারিয়ে যাওয়া এসব যানগুলোর কোনও ধ্বংসাবশেষ পরবর্তীকালে অনেক খুঁজেও পায়নি কেও। এর রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন সময়ে বেতার তরঙ্গের অনুপস্থিতির কথা বলা হলেও কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। মার্কিন সামরিক বাহিনী এ এলাকায় বেশ কিছু গবেষণা চালিয়েও তেমন কোনও তথ্য উদ্ধার করতে পারেনি।

তবে এই রহস্যজনক এলাকা নিয়ে যারা গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন ধরে তাদের মতে, নাবিকদের ভাষ্য অনুযায়ী এ এলাকায় মাঝে মাঝে বেতার তরঙ্গ হারিয়ে যায় ঠিকই, কিন্তু সবসময়ের জন্য নয়। কারণ পৃথিবীর কোনও এলাকায় স্বাভাবিক বেতার তরঙ্গের প্রবাহ হারিয়ে যেতে বা নিশ্চিহ্ন হতে পারে এমনটি নয়। তাহলে তো সারা পৃথিবীর বেতার সিস্টেমই ধ্বংস হয়ে যেতো । অবশ্য গবেষকরা হারিয়ে যাওয়া পক্ষে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণও দিয়েছেন। যানের ধ্বংসাবশেষ না পাওয়ার যে ব্যাখ্যাটি দিয়েছেন তা হলো, আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে একটি অন্যতম গভীর স্থান হচ্ছে এই রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গল।

এমনকি আধুনিক ও প্রশিক্ষিত ডুবুরি সরঞ্জাম দিয়ে এই অঞ্চলে উদ্ধার কাজ চালানো কখনও সম্ভব নয়। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বদৌলতে ধ্বংসাবশেষ কোথায় আছে তা জানা সম্ভব হতে পারে কিন্তু সেগুলো উদ্ধার করা বড়ই কঠিন- অন্তত গবেষকরা এমনটা মনে করেন। ফলে এ এলাকায় নিখোঁজ কোনও ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাওয়া সম্ভাবনা একেবারেই নাই। বারমুডা রহস্য মানুষের মধ্যে এখনও রয়েছে- হয়তো ভবিষ্যতেও থাকবে।

সূত্রঃ অনলাইন

আলোর তরঙ্গতত্ত্ব ও কণাতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা

¤আলো কি ?

খুব সহজ উত্তর: এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ।

¤আলোর একক কণিকা কি?

এটার উত্তরও সহজ: ফোটন ।

¤তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ কি?

শূন্যস্থান দিয়ে আলোর সমগতিশীল তড়িৎ ও চৌম্বক আলোড়ন,
যাতে তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র পরস্পর লম্ব
এবং এরা উভয়ে তরঙ্গ সঞ্চালনের সাথে লম্বভাবে থাকে তাকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ বলে ।

আলোক কণিকা ফোটন চার্জ নিরপেক্ষ ।
চার্জ নিরপেক্ষ কণিকার কিভাবে তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব ?.?.?

আসলে এভাবে ভাবা মানে হল আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব আর কণাতত্ত্বকে একসঙ্গে করে ফেলা ।

যেখানে এরা আপাতদৃষ্টিতে পরস্বপর বিপরীত মেরুতে অবস্থিত ।

ভাবতে হবে একটু আগে পরে করে। আগে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ আবিষ্কার হয় ম্যাক্স ওয়েলের হাত ধরে ১৮৮৫ সালে ।

তার প্রস্তাবণা ছিল তড়িতক্ষেত্র আর চৌম্বকক্ষেত্র পরস্পর সমকোণে ক্রিয়া করলে তরঙ্গের আবির্ভাব ঘটে।

এর বেগ আলোর বেগের সমান । অতএব আলো ও এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ।

এ পর্যায়ে এসে দুটো প্রশ্ন জুড়ে দেয়া যায়, তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের ঐ তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয় কিভাবে?

কোন কণা এ তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্রেরসঙ্গে না থাকলে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গগুলো হাজার হাজার মাইলপথ পাড়ি দেয় কি করে?

তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ গুলোর উৎপত্তিস্থল কিন্তু কোন না কোন চার্জড পার্টিকেলই ।

যেমন ধরুন পরমাণুর ইলেকট্রন শক্তিস্তর স্থানান্তরের মাধ্যামে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ বিকিরণ করে। মূলত ইলেকট্রন তার ঘূর্ণনের ফলে যে চৌম্বকক্ষেত্র ও তড়িতক্ষেত্র উৎপন্ন করে সেটাই তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গাকারে স্থানান্তরিত করে যেটা চৌম্বকে ডাইপোলের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে স্থানান্তরের মতই।

এমনকি ম্যাক্সওয়েলের ঐ প্রস্তাবণার মাধ্যমে দেখা যায় একটা বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎ প্রবাহের পথের সাথে চৌম্বক ক্ষেত্র বিজড়িত থাকা

অর্থাৎ ইলেকট্রনের কাছাকাছি থাকা ছাড়াই তড়িত আর চৌম্বক ক্ষেত্র তাড়িতচৌম্বক আকারে প্রকৃতিতে থাকতে পারে ।

তারপরেই ১৯০০ সালে ম্যাক্সপ্লাঙ্ক কৃষ্ণ বস্তুর মাধ্যমে বলেন কোন উৎস থেকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ প্যাকেট প্যাকেট বা গুচ্ছ আকারে নির্গত হয় যার শক্তি হল এর কম্পাঙ্কের সমাণুপাতিক,অর্থাৎ সমীকরণ দিয়ে বললে E=hf ।

আইনস্টাইন যার নাম দেন ফোটন । আসলে ফোটন হল সেই তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের প্যাকেট ।

ছবিটি দেখুন

তাই বলে ফোটনকে নিছক তরঙ্গ ভাবলে ভুল হবে । কারণ এই কোয়ান্টা বা প্যাকেট অর্থাৎ ফোটনের বৈশিষ্ট কণা ধর্মী ।

যেমন: কোন জায়গায় আলোর তীব্রতা বেশি মানে হল ফোটনের আধিক্য। আবার স্থানভেদে এই প্যাকেটই তরঙ্গধর্মী ।

উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল ব্যাতিচার ।

ইয়ং এর দ্বি চিড় পরীক্ষায় একটি তরঙ্গ বিভক্ত হয়ে দুটি তরঙ্গ সৃষ্টি হওয়ার পর যাদের তাদের উপরিপাতনের ফলে ব্যাতিচার সৃষ্টি হয় ।

কণার বিভক্ত হয়ে যাওয়াটা অসম্ভব বলে এখানে ফোটন তরঙ্গরুপে আচরণ করে ।

সাথে থাকবেন ....

একটু দাঁড়ান ! কখনো কি মনে হয়েছে " আরে এটা তো আগেও দেখেছি " ? তাহলে পোস্ট টি আপনার জন্য

আমার মনেহয় আমার বয়সী অনেকেই এটা অনুভব করেছেন যে কখনো কখনো একটি ঘটনা ঘটার পর মনে হয়

"আরে এটা তো মনেহয় আগে দেখেছি "

যারা কখনো এটা অনুভব করেননি তারা হয়তো এই কথাটাকে হাস্যকর ভাবতে পারেন,

তবে আমার কাছে ব্যাপারটা হাস্যকর মনে হয়না।এইরকম ঘটনাকে বলা হয় বাংলায় দ্বেজাভু ।

যেটা বহুল প্রচলিত ফরাসি শব্দ Deja -vu র বাংলা সংস্করণ।

Deja vu কে ইংরেজীতে ব্যাখ্যা করলে বলা যায়

The odd feeling you get when you sense you’ve already experienced
something that you know you are doing for the first time.

(একটি অদ্ভুত অনুভূতি যা মনে হয় যে এটা আগে আপনার জীবনে ঘটেছিল অথচ আপনি জানেন যে এটা আপনি প্রথমবারের মত করছেন।)

এই ব্যাপারটা খুব ইণ্টারেস্টিং। ইন্টারনেটে এই ব্যাপারে অনেক তথ্য পাওয়া যায় তাও না ।

তবে এই বিষয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে তবে কেন এটা ঘটে সেটার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এই অনুভূতি নিয়ে আজ পর্যন্ত ৪০ টির ও অধিক তত্ব বা থিওরি দিয়েছেন স্নায়ুবিশেষজ্ঞরা ।

মেডিকেল সায়েন্সের জন্য এটি একটি রেকর্ড। অথচ একটিরও প্রমাণ সম্ভব হয়নি।

অধিকাংশ তত্ব অনুযায়ী দ্বেজাভু অনুভূতি হয় বয়স যখন ১৫ থেকে ২৫ এর মধ্যে থাকে তখন।প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ এই ঘটনার শিকার হয় ।

প্রতিটি অনুভুতির সময় ভিকটিমের হঠাৎ অদ্ভূত অস্বস্তিকর. অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তবে দ্রুতই এটা কেটে যায়। পরে যখন কেউ এটা নিয়ে ভাবে তার মনোজগতের বড় অংশ দখল করে।

সারাজীবন সে এটা নিয়ে ভাবতে থাকে কিছু সময়ের জন্য হলেও।

অধিকাংশ তত্ব মতে দ্বেজাভু বা পুর্বদেখার অনুভূতি আসলে আমাদের জীবনের একটি অংশের স্মৃতির হঠাৎ জেগে উঠা ।

যে স্মৃতি হয়তো কোন কারণে আপনি ভুলে গেছেন যা হুবহু একই ঘটনা ঘটার কালে মস্তিষ্কের টেমপোরাল অংশ আর আপনাকে পুর্বের ওই স্মৃতিটাকে জাগিয়ে তুলছে কিন্তু মস্তিষ্ক কবে তা ধারণ করেছিল তার তথ্য না থাকায়, কিছুটা কনফিউজড করে ফেলছে পরিস্থিতি ।

আরেকটি তত্ব অনুযায়ী এই ধরনের অনুভূতি হল মস্তিষ্কের উর্বরতার ফসল ।

পরবর্তীতে কি ঘটবে সেটা আমরা কিছুটা আগেই আন্দাজ করেফেলি আর যখন তা মস্তিষ্কের এই প্যাটার্ন অনুযায়ী মিলে যায় তখন অদ্ভুত অনুভুতির জন্ম হয়।

"আরে এইটা কি আগেও --------"

কিছু থিওরি বলে হেলুসিনেশন যখন কন্ট্রোলের ভেতরে থাকে তখনও এই অনুভূতি হতে পারে ।

কোন কোন নিউরোসাইকোলজিস্ট এমনও বলেছেন যে যাদের দ্বেজাভু অনুভূতি হয় তাদের সিজোফ্রেনিয়া,

এপিলেপসি বা মৃগী রোগের মত মারাত্মক মানসিক ব্যাধিও হবার সম্ভাবনা থাকে,

তবে এই ধারনাটি কখনোই হালে পানি পায়নি, এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুল বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

তবে একটি ব্যাপার সুনিশ্চিত, আমাদের মস্তিকেরই কোন রহস্যময় অধ্যায় এটি, যার মর্মার্থ বুঝতে হয়তো মনুষ্যপ্রজাতির আরো কিছু সময় দরকার ।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
ভালো থাকবেন ...("-")

Friday, October 31, 2014

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে মজার কিছু তথ্য

১. দিয়াশলাই এবং লাইটার আমরা সবাই চিনি। সবাই দেখেছি ব্যাবহার করেছি। দিয়াশলাই দেখতে অতি সাধারণ, লাইটার এর তুলনায় অনেক আধুনিক মনে হয়। কি তাইনা? কিন্তু জানেন কি লাইটার দিয়াশলাইয়ের আগে আবিষ্কৃত হয়। আগে লাইটার আসছে এরপর দিয়াশলাই। অবাক হলেন তাইনা..!

২.পৃখিবীতে প্রথম যে এলার্মক্লকটি তৈরী করা হয় তা শুধুমাত্র সকাল ৪টায় এলার্ম দিতো। কি কেউ চান এই ঘড়িটি?

৩. BMW গাড়ির কথা সবাই শুনেছি। যতটুকু জানি অনেক দামী গাড়ি। বিশ্বের সবচেয়ে দামী গাড়ি তৈরী করে এই কোম্পানী। কিন্তু জানেন কি এই কোম্পানিটি ছিল বিমানের ইঞ্জিন তৈরী করার জন্য। পরে এটি গাড়ি তৈরী করা শুরু করে এবং সাফল্যতো চোখের সামনেই।

৪. জানেন কি একটি সাধারণ কার(car) তৈরী করতে নাকি প্রায় ৩৯০৯০ গ্যালন জল লাগে। আমার নিজেরই বিশ্বাস হয়না এই কথা। কিন্তু নেটে এটার অনেক রেফারেন্স। একটি টায়ার তৈরী করতেই নাকি ৫১৮ গ্যালনের মত জল লাগে।

Monday, October 27, 2014

বিজ্ঞানী নিউটনের সেই আপেল গাছ

আপেল খাওয়ার সময় ই নিউটনের গল্পটি মনে পড়ে যা সবার জানা । বিখ্যাত সেই আবিষ্কার, বিখ্যাত সেই বিজ্ঞানী। ওপরে যতটুকু বলা হলো, তা আসলে গল্পের প্রথম অর্ধেক। দ্বিতীয় অংশে রয়েছে সেই গাছ এবং তার বেঁচে থাকার কাহিনী। নিউটনের সেই আপেল গাছ নতুন করে পাওয়া তথ্য প্রমাণাদি এবং ১৮০ বছরের পুরনো স্কেচ বলছে, আজো বেঁচে আছে সেই আপেল গাছটি। এখন তার বয়স ৩৫৮ বছর প্রায়! গাছটির অবস্থান ইংল্যান্ডের লিংকনশায়ার উইলসথর্প ম্যানরে। নিউটন যে গাছটির কথা বলেছেন তা চিহ্নিত করতে গিয়ে অনেকগুলো গাছকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। গ্রান্থামের কিংস স্কুলের দাবী অনুসারে গাছটি স্কুল কর্তপক্ষ কিনে নিয়েছিল। কিনে নেয়ার পর গাছটি উপড়িয়ে ফেলে প্রধান শিক্ষকের বাগানে পুনরায় লাগানো হয়। বর্তমানে উল্‌সথর্প ম্যানরের দায়িত্বে থাকা ন্যাশনাল ট্রাস্ট এই দাবী মেনে নেয়নি। তাদের মতে ম্যানরের বাগানেই গাছটি রয়েছে। এই গাছের একটি বংশধর কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের প্রধান ফটকের পাশে বেড়ে উঠতে দেখা যায়। নিউটন ট্রিনিটি কলেজে অধ্যয়নকালে যে কক্ষে থাকতেন তার ঠিক নিচেই গাছটি অবস্থিত। নিউটনের সেই আপেল গাছটির কাণ্ড থেকেই গজিয়েছে এই গাছটি। এখানকার মাটি খুঁড়ে বাস্তবিকভাবেই পাওয়া যায় একটি পুরাতন আপেল গাছের কাণ্ড। মাটির নিচের কাণ্ডের সেই অংশবিশেষের কার্বন পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। এ থেকেই পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া গেছে এই গাছটির ব্যাপারে।

গাছটির ইতিকথা

প্রায় ৩৫৮ বছরের ইতিহাস এ গাছের জন্য সুখকর ছিল না। ১৮২০ সালে প্রচণ্ড এক ঝড় প্রায় ধ্বংস করে দেয় গাছটিকে। গাছের অধিকাংশ ডাল ভেঙে পড়ে যায় মাটিতে। তাও সেই মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণেই। পরে সেসব অংশবিশেষ পাঠানো হয় বিশ্বের বিখ্যাত সব ইউনিভার্সিটিতে। সেখান থেকে আবার গজানো হয় আপেল গাছ। আর গাছের গোড়াটি থেকে যায় যথাস্থানেই। সেখান থেকেই জন্মায় নতুন পাতা, নতুন ডাল। আপেল গাছ সাধারণত ১০০ বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কিছুদিন বাঁচে। সে হিসেবে এই গাছটি দীর্ঘ সময় বেঁচে ছিল। তবে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির বোটানিক্যাল গার্ডেনের পরিচালক প্রফেসর জন পার্কার বলেছেন, যদিও এই গাছটি যথেষ্ট লম্বা সময় ধরে বেঁচে রয়েছে, তবুও এটা একেবারে অস্বাভাবিক নয়। সৃষ্ট বিতর্ক গাছটিকে ঘিরে অনেক বিতর্কেরও ডালপালা মেলেছে। শুনতে পাওয়া গেছে ভিন্ন ধরণের কথাবার্তাও। ভিন্ন ধারার এ কথা বলেছেন মাইকেল হোয়াইট। তার বিতর্কিত জীবনী গ্রন্থ দি লস্ট সরসারাব -এ তিনি বলেছেন , বিজ্ঞানের চেয়ে নিউটন বেশি আগ্রহী ছিলেন অতিপ্রাকৃত বিষয়ে। তিনি তার অ্যালকেমি সংক্রান্ত গবেষণাকে চাপা দেয়ার জন্যই আপেল গাছের গল্প তৈরি করেছিলেন।

Saturday, October 25, 2014

এখনো অনেক কিছুই অজানা

১। হার্টের চাপকে কাজে লাগিয়ে রক্তকে নিক্ষেপ করা হলে তা ৯ মিটার(২৭ ফুট) দূরত্ব অতিক্রম করবে।

২। পৃথিবীর মানুষের মোট ওজোন, পৃথিবীর পিপড়ার মোট ওজোনের সমান।

৩। নাকের ২টা ছিদ্রই যদি বন্ধ থাকে, তাহলে আপনি হাই তুলতে পারবেন না।

৪। পৃথিবী থেকে মৌমাছি বিলুপ্ত হয়ে গেলে, ৪ বছরের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

৫। আলেকজান্ডার দি গ্রেট এর সৈন্যদের ক্লিনসেভ করা বাধ্যতামুলক ছিল, যাতে শত্রুপক্ষ দাড়ি পাকড়াও করে হারিয়ে দিতেনা পারে।

৬। ফিলিপিন্স দ্বীপপুঞ্জের লুজন দ্বীপে ১টা লেক আছে, যাতে আরেকটা দ্বীপ আছে। এই দ্বীপে আবার ১টা লেক আছে যাতে আছে আরেকটা দ্বীপ।

৭। মহিলারা প্রতিদিন গড়ে ৭০০০ শব্দ বলে। অপরদিকে পরুষদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২০০০ এর কিছু বেশি ।

৮। জেলীফিশ সূর্যের তাপে বাস্পীভূত হয়ে যায়। এর দেহের ৯৮% পানি।

৯। প্রজাপতি তার পা দিয়ে স্বাদ গ্রহন করে।

১০। লটারি জেতার সম্ভাবনার চেয়ে লটারির টিকিট কিনতে যাওয়ার সময় মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

১১। “Four(4)” হল একমাত্র সংখ্যা যার “অক্ষর সংখ্যা” এবং “মান” সমান।

১২। “Anatidaephobia” হল একটি রোগ যার রোগী মনে করে, পৃথিবীর কোথাও ১টা হাঁস আমাকে দেখছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ/মারাত্নক এসিড

এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডটির নাম কি? অনেকেই হয়তো বলবেন

সালফিউরিক এসিড?

নয়তো বড়জোড় পারক্লোরিক এসিড?

কিন্তু এগুলোর একটিও পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী এসিড নয়।

ফ্লুরো- এন্টিমোনিক এসিড

পৃথিবীতে মানুষের জানা সবচেয়ে ভয়াবহতম এসিডের নাম।

যা কিনা ১০০% সালফিউরিক এসিডের চেয়েও 2x10^19 গুণ বেশি এসিডিক।

এটিকে প্রস্তুত করা হয় সমান অনুপাতে হাইড্রোজেন ফ্লুরাইড(HF) এবং এন্টিমনি পেন্টাফ্লুরাইড (SbF5) মিশিয়ে।

এসিডটির থেকে সর্বোচ্চ বিষাক্ত বাষ্প বেরোয়। এটি পানির সংস্পর্শে আসলে প্রচন্ড বিস্ফোরণ ঘটায়।

তা ছাড়াও সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হল আপনি কিন্তু বিকার বা টেস্টটিউবে পরীক্ষার জন্য এসিডটি নিতে পারবেন না

কারণ এসিডটি এতোখানিই তীব্র যে তা কাঁচকে দ্রবীভূত করে ফেলে।

সেজন্য একে সংরক্ষণ করা হয় পলি-টেট্রা- ফ্লুরাইড-ইথিলিনএর তৈরী বিশেষ পাত্রে।

ভাবতাছেন এমন বিষাক্ত ভয়াবহ এসিড বানানের দরকার কি?

আর তা হল যে কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এ এর ব্যাপক ব্যবহার ক্ষেত্র রয়েছে... এসিডটি যেকোন জৈব যৌগকে প্রোটন গ্রহণ (Protonate) করতে বাধ্য করে।

Friday, October 24, 2014

DTH প্রযুক্তির সাহায্যে ক্যাবল ছাড়াই টিভি দেখা যাবে বাংলাদেশে

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এলো ক্যাবল ছাড়া টিভি দেখার ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে দেশ বিদেশের সব টেলিভিশন দেখা যাবে। ফলে ডিস লাইনের একচেটিয়া দৌরাত্ত্বের অবসান হতে চলছে। সরকার গত বছর ক্যাবল অপারেটরদের ব্যাপক বাধা সত্ত্বেও দেশের দুটি বড় কোম্পানীকে ডিটিএইচ সেবার অনুমতি দিয়েছিল। দৈনিক জনকণ্ঠ সূত্রে এ খবর জানা গেছে। পত্রিকাটি বলছে, রাশিয়া ও ভারতের এই প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে দেশের কয়েকটি কোম্পানি। রাশিয়া থেকে ডিরেক্ট টু হোম (ডিটিএইচ) প্রযুক্তি গ্রাহকযন্ত্র (ডিশ) এনেছে বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি। সম্প্রতি বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের সঙ্গে রাশিয়ার জিএস কোম্পানির এমন একটি চুক্তি সই হয়েছে। এর বাইরে বিচ্ছিন্নভাবে ভারতের টাটা স্কাই কোম্পানির গ্রাহকযন্ত্র (ডিশ) এনেছে কয়েকজন ব্যবসায়ী। তবে টাটা স্কাই কোম্পানির ডিশ থেকে দেশীয় চ্যানেল দেখা যায় না। অন্যসব দেশের চ্যানেল দেখা যায়। দেশীয় চ্যানেল দেখতে হলে আলাদা একটি যন্ত্র স্থাপন করতে হয়। এদিকে বিডি নিউজ বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স সূত্রে জানিয়েছে, এ বছর শেষের দিকে তারা এই প্রযুক্তির বাণিজ্যিকভিত্তিতে কার্যক্রম শুরু করবে। প্রতি বছর ৪ লাখ নতুন গ্রাহকের কাছে সেবা পৌঁছানোর প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি। প্রথম বছরেই ৩ লাখ গ্রাহক সুবিধা দেবে তাঁরা। পরের বছর থেকে ৪ লাখ নতুন গ্রাহক গ্রাহকযন্ত্র তারা বিক্রি করতে পারবে। তাঁদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব রয়েছে রাশিয়ার জিএস গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ডিটিএইচ সুবিধা পেতে গ্রাহককে সম্প্রচার কোম্পানি একটি ডিশ ও রিসিভার সেট প্রদান করবে। এই ডিশের মাধ্যমে সিগন্যাল গ্রহণ করে রিসিভিং সেটের সাহায্যে বিভিন্ন চ্যানেল টেলিভিশন সেটে দেখা যাবে। জানা গেছে, গ্রাহক পছন্দ করা চ্যানেলগুলো বাছাই করতে পারবেন। ক্যাবল সংযোগের মাধ্যমে পাওয়া ছবির চেয়ে এই ডিশ সংযোগের ছবির মান হবে উন্নত। কেবলের মাধ্যমে টিভি দেখার সময় মাঝে মধ্যে সিগন্যাল চলে যায়। কিন্তু ডিটিএইচ প্রযুক্তিতে সিগন্যাল কখনও চলে যাবে না। তাছাড়া এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকরা বর্তমানের চেয়ে অনেক কম খরচে স্যাটেলাইট টেলিভিশন দেখতে পারবেন। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে গ্রাহকদের যন্ত্রটি কিনতে খরচ হবে এরপর প্রতিমাসে সামান্য খরচে বিশ্বের সব দেশের স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখতে পারবেন। তবে যেসব চ্যানেল টাকা দিয়ে কিনে দেখতে হয় সেগুলোর জন্য যথারীতি টাকা দিতে হবে। দৈনিক মানবজমিন জানিয়েছে, ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি দর্শক তার বাড়িতে একটি রিসিভার ইন্সটলের মাধ্যমে সরাসরি সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারবেন। ব্রডকাস্টিং কোম্পানিগুলোকে আলাদা তারের মাধ্যমে প্রতিটি টিভি সেটে সংযোগ দেয়ার প্রয়োজন পড়বে না। এ বিষয়ে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ. রহমান বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে কোন বৈধ ডিটিএইচ অপারেটর নেই। টিভি দর্শকদের কয়েকটি ক্যাবল অপারেটর ও টিরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর নির্ভর করতে হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশী দর্শকদের কোন স্থানীয় টিভি অনুষ্ঠান উপহার না দিয়ে ভারতীয় ডিটিএইচ অপারেটররা অবৈধভাবে ডিটিএইচ সিগন্যাল ব্রডকাস্ট করছে। তিনি আরও বলেন, মানসম্মত বৈধ টিভি সার্ভিস নিয়ে যদিও তেমন কোন আলোচনা নেই। কিন্তু ১৬ কোটির বেশি মানুষের দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রাহক পাবে বলে প্রত্যাশা করছে বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

একনজরে নতুন এ পদ্ধতি:

ডিটিএইচ সেবার মাধ্যমে একটি স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে সরাসরি গ্রাহকের আঙ্গিনায় টিভি সিগন্যাল পৌঁছে দিয়ে মাল্টি-চ্যানেল টিভি প্রোগ্রাম দেখার সুযোগ করে দেয়া হবে। ডিটিএইচ সংযোগ দিতে ব্রডকাস্টিং কোম্পানি গ্রাহককে একটি ডিশ ও রিসিভার সেট প্রদান করবে যা, ডিশের মাধ্যমে সিগন্যাল গ্রহণ করে রিসিভিং সেটের সাহায্যে দর্শকরা টিভিতে বিভিন্ন চ্যানেল দেখতে পারবেন। ওই সেটের মাধ্যমেই শুধু গ্রাহকেরা কাঙিক্ষত চ্যানেলগুলো দেখার সুযোগ পাবেন। ডিটিএইচ’র অনেকগুলো সুবিধার একটি হচ্ছে গ্রাহকরা নিজেরাই পছন্দনীয় চ্যানেলগুলো বাছাই করতে পারবেন। কেবল অপারেটরের পছন্দে চ্যানেল দেখতে হবে না। কেবল সংযোগের মাধ্যমে এখন গ্রাহকেরা যে মানের ছবি দেখে থাকেন তার চেয়ে এর মান হবে অনেক উন্নত। বর্তমানে আমরা যে কেবলের মাধ্যমে টিভি দেখি তাতে সিগন্যাল ব্রেক হয়। অপরদিকে ডিটিএইচ প্রযুক্তিতে সিগন্যাল ব্রেক হয় না বলে উন্নতমানের সেবা পাওয়া যায়। গ্রাহক শুধু তার পছন্দমতো চ্যানেলগুলো ক্রয় করে মাসিক খরচের পরিমাণও কমিয়ে আনতে পারেন।

বেক্সিমকো গ্রুপ:

বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান প্রায় ৭৫ শতাংশ আর দেশের শিল্প জগতে বৃহত্তম বেসরকারি গ্রুপ হলো বেক্সিমকো। টেক্সটাইল, ট্রেডিং, সামুদ্রিক খাদ্য, আবাসন, হসপিটালিটি, ইমারত নির্মাণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, সিরামিকস, বিমান, ওষুধ শিল্প, অর্থনৈতিক সেবা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে বেক্সিকোর বিনিয়োগ ও কার্যক্রম রয়েছে। বেসরকারি খাতে বেক্সিমকো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চাকরির ক্ষেত্র এবং বিশ্বজুড়ে তাদের ৪৮ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন।

জিএস গ্রুপ:

একটি বিনিয়োগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান, টেলিযোগাযোগ ও উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে তাদের বিশেষত্ব রয়েছে। মূল কার্যক্রমসমূহ: আন্তর্জাতিক ব্রডকাস্টিং প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, আর অ্যান্ড ডি ও নেনোটেকনোলজি হিসেবে এসব ক্ষেত্রে পণ্য উৎপাদন, মাইক্রোইলেকট্রনিকস; টেকনোপলিস জিএস ইনোভেশন সেন্টারের নির্মাণ ও উন্নয়ন; কাঠ প্রক্রিয়াজাতকরণ; যৌথ প্রকল্পে বিনিয়োগ; মিডিয়া কন্টেন্ট তৈরি ও ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার পণ্যের নকশা ও সমন্বয়, বিজ্ঞাপন, লজিস্টিক ও ট্রেড।

পৃথিবীর ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা ২৮৮০ সালের ১৬ মার্চ

২৮৮০ সালের ১৬ মার্চে গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

১৯৫০ ডিএ নামের একটি গ্রহাণুর সত্যিই ওই তারিখে পৃথিবীতে আঘাত হানার আশংকা রয়েছে।

তবে এ কথাটি পড়েই চমকে ওঠার কারণ নেই। কারণ হিসাব অনুযায়ী এ গ্রহাণুর পৃথিবীতে আঘাত হানার মাত্র ০.৩ শতাংশ আশংকা রয়েছে।

তবে এতে পুলকিত হওয়ারও কিছু নেই।

কারণ অন্য অনেক গ্রহাণুর চেয়ে পৃথিবীতে এর আঘাত হানার আশংকা ৫০ ভাগ বেশি।

এবার বোধহয় আশা-নিরাশার দোলাচলে পড়ে যাবেন অনেকেই।

ঘটনাক্রমে যদি গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত হানে তা হলে তা হলে কি হবে?

হ্যাঁ সে ক্ষেত্রে গ্রহাণুটি ৪৪,৮০০ মেগাটন টিএনটি’র ক্ষমতা নিয়ে আঘাত হানবে।

আর এক মেগাটন মানে ১০ লাখ টন সে কথা অনেকেরই জানা আছে। তা হলে ৪৪,৮০০কে ১০ লাখ গুণ করলে সংখ্যাটি দাঁড়াবে বিশাল।

১৯৫০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম আবিষ্কৃত হয় গ্রহাণু ১৯৫০ ডিএ। ১৭ দিন পর্যবেক্ষণের পর এটি অর্ধশতকের জন্য দৃষ্টির আড়ালে চলে যায়।

২০০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর আবার তাকে দেখতে পাওয়া যায়।

Tuesday, October 21, 2014

আমাদের চোখ

মানুষের চোঁখ অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঙ্গ, কোন বস্তুর উপর মাত্র তিনটি ফোটন আপতিত হলে বা তা থেকে নির্গত হলে আমাদের চোঁখ ওই বস্তুর অস্তিত্ব বুঝতে পারে, বিবর্তনের লম্বা পথ অতিক্রম করে আমাদের চোঁখ এই অবস্থায় এসেছে, যদি আমাদের পুর্বপুরুষরা নিশাচর হতেন কিংবা রাতে শিকার বা চলাচলে অভ্যস্ত হতেন তাহলে হয়তো মৃদু আলোতে হয়তো আমরা অভ্যস্ত হতাম কিন্তু দিনের বেলার দর্শনক্ষমতা কমে যাবার সম্ভাবনা থাকতো। বিবর্তনের ধারাবাহিক পথটি যদিও আমরা এখন প্রায় রুদ্ধ করে ফেলছি তবুও বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় যদি আমাদের চোঁখের দৃষ্টিশক্তি তিনগুন বেড়ে যায় তাহলে আমরা খালি চোঁখেই কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া দেখতে পাব ।

ঘুমে বোবার ভূতে ধরে ?

ঘুমে প্রায়ই আমরা উপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার অনুভূতি পাই। আবার কখনো চোখ খোলা রেখেও এক চুল পরিমাণ নড়তে পারিনা। কেন? কী তার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ? ধরাযাক, আপনি আজ রাতে ঘুমাতে গেলেন। বাতি নিভালেন, নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন, অল্প অল্প তন্দ্রা লেগে এলো, হঠাৎ মনে হলো আপনি অনেক উঁচু থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছেন। চমকে উঠলেন আপনি। আবার হয়তো একদিন আপনি আরামেই ঘুমিয়ে আছেন। হটাৎ ঘুমটা একটু পাতলা হতে লাগলো আর আপনি দেখলেন যে আপনি আর নড়াচড়া করতে পারছেন না। মনে হচ্ছে কেউ আপনাকে চেপে ধরে আছে। আপনি প্রাণপনে চিৎকার করতে চাইছেন কিন্তু গলা দিয়ে কোন স্বর বের হচ্ছে না। একটা আঙ্গুলও নাড়াতে পারছেন না আপনি। কিছুক্ষন পর ঘেমে উঠলেন আপনি। স্বাভাবিক হয়ে আসলো সবকিছু। উপরের ঘটনা দুটি জীবনে ঘটেনি এমন মানুষ পাওয়া বিরল। তাছাড়াও আপনি ঘুমের মধ্যে কথা বলা, নাক ডাকা বা ঘুমের মধ্যে হাঁটা কোনটাই বিচিত্র না! এবার আসুন জেনে নেই কেন এমন হয় এবং কি তার সম্ভাব্য প্রতিকার-
ঘটনাঃ ১
ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মনে হওয়া যে উপর থেকে পড়ে যাচ্ছি। একে বলে হাইপনিক জার্ক, আমরা যখন ঘুমিয়ে পড়ি আমাদের সারা শরীর আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে আসে, মাংসপেশীগুলো শিথিল হয়ে আসে। কিন্তু যদি সে সময়ের মধ্যে আমাদের মস্তিষ্ক ততটুকু বুঝতে না পারে; তবে মস্তিষ্ক একে উপর থেকে শরীর পড়ে যাচ্ছে এটা বলে ভুল করে। সেক্ষেত্রে সে শরীরকে সে সময়ের জন্য প্রস্তুত করতে হাত-পা শক্ত করে ফেলে সেই আসন্ন বিপদ মোকাবেলা করার জন্য আর তাই আমরা ঝাকি দিয়ে হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠি। এটা আসলে সে সময় হয় যদি আমরা অনেক্ষণ ধরে ব্রেনকে রেস্ট না দেই, যেমন অনেকে একটানা পড়াশুনা বা অফিসের কাজ বা কোন গবেষনা... এসব চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে এবং আমাদের ঘুমের মধ্যেও যদি এসব চিন্তা চলতে থাকে তবে তখনই এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাঃ ২
বোবায় ধরার ঘটনাকে অনেকে কুসংস্কারের বশে বোবা ভুত ধরা বলে। যার আসল নাম হচ্ছে স্লিপ প্যারালাইসিস কিংবা Hypnagogic Paralysis. এ ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু জটিল আর তা হচ্ছে আমাদের ঘুমের মধ্যে ২টা পর্যায় আছে। এগুলো হল- ১) REM (Rapid Eye Movement) ২) Non REM (Non Rapid Eye Movement) *** ঘুমের মধ্যে এ দুটি চক্র পর্যায়ক্রমে আমাদের মাঝে আসে। আমরা যদি কোনভাবে এই দুটি চক্রের মাঝের সময়ে জেগে যাই তখনই আমরা হাত-পা নাড়তে পারি না। কথা বলতে পারিনা। কারন আমাদের এই জেগে থাকা সম্পর্কে মস্তিষ্ক অবগত থাকেনা। এ ক্ষেত্রে কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর ঘুমে এই সময়কে অনেক সময় বলে মনে হতে পারে। আমরা জেগে আছি জানতে পারলে আবার আমরা হাত-পা স্বাভাবিক ভাবে নাড়তে পারি এবং জেগে উঠি। এসময় কোনকিছু দেখা বা গন্ধ পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু না, কারণ মস্তিষ্ক তখন স্বপ্নের মত দৃশ্য তৈরি করে। এই সুযোগে অনেকে ভুত- প্রেতও দেখে ফেলতে পারেন! কারন মস্তিষ্কে যখন অক্সিজেনের অভাব হয় তখন আমরা অস্বাভাবিক অনেক কিছু দেখতে পাই।

Monday, October 20, 2014

মজার রসায়ন

১.আপনি যদি এক গ্লাস পানিতে এক মুঠো লবন দেন তাহলে তো গ্লাসের পানি পরে যাবে ,তাই না ? দিয়ে দেখুন তো পরে কি না । কি অবাক হচ্চেন , পানির উচ্চতা আরও কমে গেল , তাইনা ? ২.আপনার শরীরে যে পরিমান কার্বন আছে তা দিয়ে ৯০০০পেন্সিল বানানো যাবে !!! ৩. সোনা অনেক দুর্লভ। দাম তো আকাশচুম্বী। কিন্তু আপনি কি জানেন, পৃথিবীতে যে পরিমান সোনা আছে তা দিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবী ঢেকে দিলে হাঁটু পরিমান উচ্চতা হবে। ৪. অক্সিজেন গ্যাস এর কোন বর্ণ নাই, কিন্তু তরল ও কঠিন অক্সিজেন নীলবর্ণের। ৫. হাইড্রফ্লুরিক এসিড এতবেশি ক্ষয়কারী যে গ্লাস গলিয়ে (dissolve ) ফেলে, কিন্তু তারপরেও এটাকে দুর্বল এসিড বলা হয়। ৬. পৃথিবীর সবচে দুর্লভ মৌল এস্তেতিন, সারা পৃথিবীতে মাত্র ২৮ গ্রাম এস্তেতিন আছে। ৭. বায়ুমণ্ডলের প্রায় ২০% অক্সিজেন শুধুমাত্রআমাজন রেইন ফরেস্টের মাধ্যমেই উত্পন্ন হয় । ৮ মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় হাইড্রোজেন কিন্তু পৃথিবীতে সবচে বেশি পাওয়া যায় অক্সিজেন (প্রায় ৪৯ % বায়ুমণ্ডল ভুমি সাগর) ৯. বজ্রপাতে প্রতিবছর অনেক লোক মারা যায়, কিন্তু আপনি কি জানেন বজ্রপাত না থাকলে পৃথিবীর প্রাণীকুল ধ্বংসহয়ে যেত।কারন বজ্রপাতের মাধ্যেমেই ওজোন তৈরি হয় ।

Friday, October 10, 2014

মানুষের নাম এবার মঙ্গল গ্রহে

এই তো কদিন আগেই ভারতের মঙ্গলযান প্রদক্ষিণ করতে শুরু করল মঙ্গল গ্রহকে। এদিকে মানুষের পা এখনো মঙ্গল গ্রহে না পড়লেও যুক্তরাষ্ট্র ১৩ বছরের এক কিশোরীকে প্রস্তুত করছে মঙ্গল গ্রহে পাঠানোর জন্য। কিন্তু পৃথিবীর কোনো মানব-মানবী ওই লাল গ্রহে পা রাখার আগেই আপনার নাম পৌঁছে যেতে পারে মঙ্গলে! যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আপনাকে এ সুযোগ দিচ্ছে। ইন্দো এশিয়ান নিউজের বরাত দিয়ে জি নিউজ এ খবর জানিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আসছে ডিসেম্বরের ৪ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে মঙ্গল অভিযানে রওনা দিচ্ছে নাসার মঙ্গলযান অরিয়ন। নাসা আপনাকে সুযোগ দিচ্ছে অরিয়নে করে আপনার নামটাও মঙ্গল গ্রহে পাঠিয়ে দেওয়ার। এ জন্য আপনাকে কেবল নাসার ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন নিবন্ধন করতে হবে। নাসা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ৯৫ হাজার মানুষ লাল গ্রহে নাম পাঠানোর জন্য এই নিবন্ধন করেছেন। নাসার নভোযান অরিয়নের মাধ্যমে মঙ্গল গ্রহে নাম পাঠানোর জন্য নিবন্ধনের সময় শেষ হবে ৩১ অক্টোবর। নাসার ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট পাতায় গিয়ে নাম, দেশ এবং ডাক ও ইমেইল ঠিকানা লিখে নিবন্ধন করলেই আপনাকে একটা ডিজিটাল ‘বোর্ডিং পাস’ দেওয়া হবে। এরপর আপনি নাসার কাছ থেকে একটা বার্তা পাবেন; যাতে লেখা থাকবে—‘সফল! অরিয়নের প্রথম ফ্লাইট পরীক্ষাতেই আপনার নাম উড়ে যাবে মঙ্গলে।’ এভাবে সংগ্রহ করা সব মানুষের নাম একটা মাইক্রোচিপে করে মঙ্গল গ্রহে নিয়ে যাবে নাসা। মঙ্গলযান অরিয়নের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক মার্ক গ্রেয়ার বলেছেন,‘নাসা অভিযানের সীমানা পেরিয়ে যেতে এবং ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠাতে কঠোর পরিশ্রম করছে। এই নামগুলোর উড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষ আমাদের ভবিষ্যৎ যাত্রার অংশ নিতে পারবেন।’ নাম নিবন্ধনের জন্য ভিজিট করতে হবে নাসার ওয়েবসাইটের এই পাতায়: http://mars.nasa.gov/participate/send-your-name/orion-first-flight/

নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা

এইচআইকেভিশন ব্র্যান্ডের ডিএস-অ্যানালগকিট-০০১ মডেলের নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা বাজারে এসেছে। এতে রয়েছে চার চ্যানেল ডিভিআর এবং অ্যানালগ কম্বো কিট, সিসিটিভি আইআর ২০ মিটার দূরত্বের বুলেট ক্যামেরা, চারটি ২০ মিটার ডেটা এবং পাওয়ার কেব্ল ইত্যাদি। এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেডের বাজারে আনা সিসিটিভি ক্যামেরার দাম ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

LED থেকে নিল আলো আবিষ্কার

এ বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানের দুজন এবং একজন জাপানি বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী। তাঁরা হলেন ইসামু আকাসাকি, হিরোশি আমানো ও শুজি নাকামুরা। তাঁরা এলইডি থেকে নীল আলো উৎপাদনের কৌশল আবিষ্কার করেছেন। এই নীল আলো লাল ও সবুজের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দীর্ঘস্থায়ী সাদা আলো। এলইডি হচ্ছে আলোক নিঃসরণকারী একধরনের বাল্ব বা লাইট-এমিটিং ডায়োড। তিন পদার্থবিজ্ঞানীর ওই আবিষ্কারের ফলে বাড়িঘর এবং কম্পিউটারে ব্যবহারের উপযোগী জ্বালানি-সাশ্রয়ী আলো পাওয়া সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই নীল এলইডি লাইট-এমিটিং ডায়োড (এলইডি) এতে অর্ধপরিবাহী পদার্থের বেশ কয়েকটি স্তর থাকে। বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ ইলেকট্রনকে ঋণাত্মক স্তর এবং ছিদ্রগুলো থেকে ধনাত্মক স্তর হয়ে সক্রিয় স্তরের দিকে প্রবাহিত করে, যেখানে তারা আলো নিঃসরণের জন্য আবার একত্র হয়। এলইডিতে গ্যালিয়াম নাইট্রাইডের বেশ কয়েকটি স্তর সমন্বিত অবস্থায় থাকে। ইনডিয়াম ও অ্যালুমিনিয়ামের মিশ্রণ তৈরির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা বাতির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছেন। সূত্র: নোবেলপ্রাইজ ডট ওআরজি/এএফপি

GPS সিস্টেম of মস্তিষ্ক

‘আমাদের অবস্থানের মানচিত্র মস্তিষ্ক কীভাবে তৈরি করে এবং কীভাবে আমরা একটি জটিল পরিবেশের মধ্য দিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন করি?’—দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা শত শত বছর ধরে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন। ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী জন ও’কিফ এবং নরওয়ের দুই গবেষক এডভার্ড মসার ও মে-ব্রিট সেই রহস্যের সমাধান দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট। মস্তিষ্ক কেমন করে সঠিক পথে পরিচালিত হয়, নানা রকমের কাজ করে আর খুঁটিনাটি যাবতীয় তথ্য মনে রাখে—সেই পদ্ধতি আবিষ্কার করে ওই তিন বিজ্ঞানী এ বছর চিকিৎসাবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং স্মৃতিভ্রংশ (আলঝেইমার) রোগের কারণে কীভাবে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যপদ্ধতি ব্যাহত হয়, সেই রহস্যের সূত্রও রয়েছে তাঁদের গবেষণায়। ক্যারোলিনস্কার স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং নোবেল কমিটির সদস্য ওলে কিয়েন বলেন, ‘ওই তিন বিজ্ঞানী মস্তিষ্কের “একটি অভ্যন্তরীণ জিপিএস” খুঁজে পেয়েছেন, যার মাধ্যমে জানা সম্ভব হয় আমরা কোথায় আছি এবং যাওয়ার পথই বা কোনটি।’ জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম হচ্ছে স্থান-কাল-পাত্র-আবহাওয়া প্রভৃতি তথ্যসহ কোনো বস্তু বা ব্যক্তির অবস্থান নির্ণয়ের কাজে বহুল ব্যবহৃত একটি আধুনিক প্রযুক্তি। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) গবেষক ও’কিফ ১৯৭১ সালে প্রথম খুঁজে পান অবস্থান নির্ণয়ে সহায়ক মস্তিষ্কের নিজস্ব একটি উপাদান। ইউসিএলের আরেক গবেষক ইউটা ফ্রিথ বলেন, ও’কিফ দেখিয়েছেন মানুষের মনেরও নিজস্ব মানচিত্র-ব্যবস্থা থাকতে পারে। এতে মস্তিষ্ক এবং মনের ব্যাপারে গবেষণায় নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নরওয়েজিয়ান দম্পতি এডভার্ড মসার ও মে-ব্রিট নিজেদের দেশের ট্রন্ডহিমে অবস্থিত একটি প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করেন। তাঁরা মস্তিষ্কের স্মৃতি সংরক্ষক অংশ হিপোক্যাম্পাসে স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ে গবেষণা করতে ১৯৯৬ সালে ও’কিফের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেন। এক দশকের প্রচেষ্টায় তাঁরা মস্তিষ্ককে সঠিকভাবে পরিচালনাকারী বিশেষ কোষ ‘গ্রিড সেল’ আবিষ্কার করতে সমর্থ হন। তাঁরা দাবি করছেন, সম্মিলিত কতগুলো কোষ এই গ্রিড সেলের সাহায্যেই একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত থেকে ত্রিমাত্রিক পরিবেশে নিজ অবস্থান নির্ণয় করে এবং মাথায় গেঁথে নেয় ওই স্থানের সমস্ত স্মৃতি। মসার, মে-ব্রিট এবং ও’কিফের এই আবিষ্কারের ফলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা-গবেষণায় অগ্রগতি হবে বলে মনে করছেন গবেষকেরা। সূত্র: রয়টার্স

হারানো জিনিস খুঁজে বের করুন

ল্যাপটপ, স্মার্টফোনের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হারিয়ে ফেলার খবর প্রায়ই শোনা যায়। প্রিয় যন্ত্রটি হারিয়ে মন খারাপ হলেও ব্যক্তিগত তথ্য অন্যের হাতে পড়ায় তা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তা থাকে। যন্ত্রটি উদ্ধার চেষ্টার পাশাপাশি অনেকেই চাইবেন যেন অন্তত ফোন বা ল্যাপটপটি দূর থেকে বন্ধ (লক) করতে এবং বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলতে। ঠিক এ ধরনের কাজে ‘প্রে’ নামে একটি বিনা মূল্যের মুক্ত সফটওয়্যার (ওপেন সোর্স) আছে, যা দিয়ে যন্ত্র উদ্ধারের সঙ্গে সেটি বন্ধ বা তথ্য মোছার কাজটি করা যায় দূর থেকেই। এ জন্য পূর্বসতর্কতা হিসেবে আগে থেকেই ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে প্রে প্রোগ্রামটি ইনস্টল করে নিতে হবে। উইন্ডোজ, লিনাক্স, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস সব ধরনের প্লাটফর্মে কাজের উপযোগী এ সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে https://preyproject.com ওয়েব ঠিকানায়, আকার ৬ মেগাবাইট। প্রোগ্রামটি নামিয়ে ইনস্টল করার পর প্রথম অবস্থায় নিজের নাম এবং ই-মেইল ঠিকানা, আলাদা পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করতে হবে। নতুন একটি মেইল আসবে। মেইলটি খুলে সেখানে থাকা কন্ট্রোল প্যানেলের লিংকে ক্লিক করে নিজের যন্ত্রগুলো যুক্ত করা যাবে। প্রে হচ্ছে একটি এজেন্ট-ভিত্তিক অনুসন্ধান প্রোগ্রাম। এটি দিয়ে চুরি যাওয়া যন্ত্রের সব তথ্য মুছে ফেলা যাবে অথবা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। যন্ত্রটি একবার হারিয়ে গেলে অন্য কম্পিউটার থেকে প্রে প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটের কন্ট্রোল প্যানেলে লগইন করে সেখানে যন্ত্রটির বর্তমানে ‘ঠিক আছে’ অবস্থা পরিবর্তন করে ‘হারিয়ে গিয়েছে’ দিতে হবে। এরপর যন্ত্রে ইনস্টল থাকা প্রে প্রোগ্রামটি অন্তরালে থেকে নিজে নিজেই যন্ত্রের জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) কিংবা সংযুক্ত ওয়াই-ফাই হটস্পট ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে এর অবস্থান, ওয়েবক্যামের মাধ্যমে চোরের ছবি এবং বর্তমানে চালু থাকা ডেস্কটপ পর্দার ছবি—এসব তথ্য প্রে অ্যাকাউন্টে জমা হতে থাকবে। ফোনের ক্ষেত্রে খুদেবার্তার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে না ঢুকেই বিভিন্ন কাজ করা যাবে। তারপর দূর থেকেই যন্ত্রটি লক, তথ্য মোছা বা অবস্থান নির্ণয়, সতর্কসংকেত বাজানো ইত্যাদি কাজ নিজের প্রয়োজনমতো করা যাবে।

অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আধুনিকীকরণ

প্রাণিকোষের অভ্যন্তরে অতি ক্ষুদ্র স্তরের কার্যক্রম, প্রজনন এবং বিভিন্ন রোগে সংক্রমিত হওয়ার ধরন সম্পর্কে জানতে আণুবীক্ষণিক গবেষণা প্রয়োজন। তবে এ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রের (মাইক্রোস্কোপ) অপবর্তন সমস্যার কারণে সেই অতি ক্ষুদ্র কোষের ভেতরের অবস্থা স্পষ্টভাবে দেখা সম্ভব ছিল না। মার্কিন দুই বিজ্ঞানী এরিক বেটজিগ ও উইলিয়াম মোয়ের্নার এবং জার্মানির স্টিফান হেল সেই সীমাবদ্ধতা দূর করতে উদ্যোগী হন। তাঁরা অতি শক্তিশালী অণুবীক্ষণযন্ত্র (মাইক্রোস্কোপ) তৈরির কাজে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। আণবিক স্তরের টিস্যু নিয়ে গবেষণা এবং বিভিন্ন রোগ ও ওষুধের নকশা তৈরির কাজে এই অণুবীক্ষণযন্ত্র সহায়ক হবে বলে মনে করছে নোবেল কমিটি। ১৮৭৩ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্নস্ট অ্যাবের তৈরি প্রচলিত অণুবীক্ষণযন্ত্র আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেকের বেশি রেজুলেশনের ছবি দেখাতে পারে না। কিন্তু এবারের নোবেল বিজয়ীরা সেই সীমাবদ্ধতা দূর করতে স্টিফান হেলের নেতৃত্বে ১৯৯০-এর দশকে কাজ শুরু করেন। তাঁরা এ জন্য ব্যবহার করেন ফ্লুরেসেন্স। সুইডেনের নোবেল কমিটি বলেছে, ওই তিন বিজ্ঞানীর যুগান্তকারী কাজের ফলে অণুবীক্ষণযন্ত্রের ব্যবহার একটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। এতে আণবিক স্তরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হবে। ন্যানো মাত্রার আধুনিক অণুবীক্ষণযন্ত্রগুলো স্মৃতিভ্রংশ (আলঝেইমার) ও পার্কিনসনসের মতো মস্তিষ্কের জটিল রোগ সম্পর্কে অধিকতর বিশদ তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিটি একক প্রোটিনকে অনুসরণ করতে পারে অথবা নিষিক্ত ডিম্বাণুর বিকাশ পর্যবেক্ষণ করতে পারে, যখন তারা বিভক্ত হয়ে ভ্রূণে পরিণত হয়। কোষের কার্যক্রম এবং রোগাক্রান্ত হওয়ার প্রভাব জানতে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এবারের নোবেলজয়ী স্টিফান হেল। তিনি জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট ফর বায়োফিজিক্যাল কেমিস্ট্রির পরিচালক। আর বেটজিগ যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাশবার্নের হাওয়ার্ড হাগস মেডিকেল ইনস্টিটিউট এবং মোয়ের্নার যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। সূত্র: রয়টার্স, এএফপি ও বিবিসি