একা একা হেঁটে যাওয়া খুব একটা কঠিন কাজ নয় ।
____কিন্তু কারো হাত ধরে অনেকটা পথ হেঁটে গিয়ে,
সেখান থেকে একা একা ফিরে আসা
খুব বেশি কঠিন ।
•• আপনাদেরকে আমার ছোট্ট সাইটে স্বাগতম । আশা করি সাইটের পোস্ট গুলো ভালো লাগবে ••
সাথে থাকুন ..!.. ভালো থাকুন ('-')
আবার ফলে ভরা গাছটিতে বাতাস লাগলে তা একটু কম দোলে ।
ফল ধরে না এমন গাছে কিন্তু আবার সোজা থাকে অল্প বাতাসেই দুলতে শুরু করে ।ঠিক তেমনি বুদ্ধিমান জ্ঞানী মানুষগুলাও তেমন সব সময় মাথা নিচু করে নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখে ।
অথচ স্বল্প জ্ঞানী মানুষগুলা অল্পতেই খেপে ওঠে আর নিজেকে খুব বড় ভাবতে শুরু করে ।যেন সে এমন একজন যে সবকিছুই তিনি জানে কিন্তু তাকে মূল্য দেওয়া হচ্ছে না কিংবা তার পন্ডিত্বের কদর করা হচ্ছে না ।
আবার অল্প সুযোগ পেলেই অন্যকে খুব বেশি আঘাত করে ।তাই অল্প বাতাসে দোলে এমন গাছ থেকে কিছুটা দুরে থাকুন যাতে করে নিজের সম্মান ধরে রাখতে পারেন ।
সবচেয়ে ভালো উপহার কি জানেন...
সেটা হলো( সময় )
এই উপহারের অর্থ হচ্ছে...__আপনি সেই মানুষটিকে নিজের জীবনের একটি অংশ দিয়ে দিলেন....
...যা আর কখনো ফেরত নেওয়া কিংবা ফেরত দেওয়া সম্ভব না_____এর চেয়ে সুন্দর উপহার আর কিবা হতে পারে.......
একটু মজা করা যাক
☞ এরা গিন্নী নামেও পরিচিত।
☞ এরা সাধারন মানুষের মত।☞ হাত,পা, নাক, কান সবই আছে।
☞ পাশের বাসার ভাবীর সাথে চাপা বাজিতে এরা অতুলনীয়।☞ হিন্দী সিরিয়াল এদের কাছে কেএফসি’তে মুরগী খাওয়ার চেয়েও উত্তম ।
☞ Husband এর সাথে ঝগড়া করে জয়লাভ না করা পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবে ।☞ Husband একটু রাত করে বাসায় ফিরলে হাড়ি,পাতিল যা কিছু আছে, সব আলোর বেগে ছুরে মারতে কোন দিধা নেই এদের ।
☞ আর কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার আল্টিমেটাম তো আছেই।☞ তাদের একটা চিরন্তন বানী হচ্ছে, তোমার সাথে বিয়ে হয়ে আমার জীবনটা শেষ ।
☞ তুমি জানো আমার জন্যে কত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এসেছিল।☞ কলেজে থাকতে কত প্রেমপত্র পেয়েছি ।
☞ শেষমেষ বাবা তোমার মত রাম ছাগলের কাছে বিয়ে দিল ।☞ তারপর কেঁদে কেঁদে নাকের পানি চোখের পানি এক করবে ।
☞ আর নারী নির্যাতনের কেস করার হুমকি দিবে ।(This is called বউ)
¤>>যারা আল্লাহকে ভালবাসতে চায়, তাদের উচিত প্রথমে মানুষকে ভালবাসতে শেখা... (আল-কুরআন)
¤>> ভালবাসার ব্যাপারে পুরুষরা চিরকালই শিকার, আর মেয়েরা শিকারী, একজন শিকারী যেমন শিকারের জন্য তার বন্দুককে ভালবাসে,একজন মেয়ে মানুষও তেমনি সৃষ্টির প্রয়োজনে পুরুষকে ভালবাসে । এ ভালবাসা বন্দুকের প্রতি শিকারীর প্রেমভালবাসার সঙ্গেই একমাত্র তুলনীয় ।
¤>> ভালবাসিতে শিখলে , ভালবাসা দিতে শিখতে হয় তোমার জীবনে কখনো ভালবাসারঅভাব হবেনা...
¤>> অন্ধভাবে কাউকে ভালবেসনা তাহলে তারফল কিন্তু শুভ হবেনা...¤>> মা সন্তানকে ভালবেসেই ভালবাসার দাম নিজের তৃপ্তির মধ্যে পেয়ে যান হাতে হাতে।
নইলে দীর্ঘদিন ধরে তাকে বড় করে তুলতে অতকষ্ট করতে পারতেন না ।আসল কথা হল, যথার্থপ্রেম স্ব-নির্ভর হয়, অন্য নির্ভর হয়না ।
অপরপক্ষে কতটা প্রতিদান দিল কিংবা দিলনা,সেটা ভালবাসাকে দুর্বল করেনা।¤>> যাকে সত্যিকার ভালবাসা যায়,সে অতি অপমান, আঘাত করলে,
হাজারব্যথা দিলে ও তাকে ভুলা যায়না. .¤>> ভালবাসার ব্যাপারে বেশি পাটোওয়ারী বুদ্ধি ভালো নয়।
যাকে দিবেন সম্পূর্নভাবেই দিবেন।একেবারেই বাকী আমি কিছুইরাখবোনা প্রতিগ্গা করেই দিবেন।
তা না হলে জীবনে বিকৃতি দেখা দিবে ।যতই দিবেন ততই পাবেন। কার কাছ থেকে? নিজেরকাছ থেকেই ।
যতই ভালবাসবেন ততই জীবনে স্বাদ পাবেন। আর পাওয়াটাই বড় কথা।¤>> যে ভালবাসা দুজনকে দুদিক থেকে আকর্ষনকরে মিলিয়ে দেয়,
সেটা ভালবাসা নয়,সেটা অন্য কিছু বা মোহ আর কামনা...¤>> যে গভীরভাবে ভালবাসতে জানে বয়স তারকাছে কোন বাধা নয় ।
¤>> পৃথিবীতে ভালবাসার একটি মাত্র ঊপায়আছে, সেটা হল প্রতিদান পাওয়ারআশা না করে শুধু ভালবেসে যাওয়া।¤>> ভালবাসা যা দেয়, তারচেয়ে বেশি কেড়ে নেয়!
¤>> ভালবাসা যখন পরিতৃপ্ত হয় তখন এর মাধুর্যকমে যায় ।¤>> ভালবাসা আচ্ছাদন নয় বরং চোখের জল ।
বাবা ! আমার ১৫ তম জন্মদিনে আমাকে কি দিবে?
বাবা বললেন, এখনো তো অনেক সময় আছে...দেখা যাক...মেয়েটির ১৫তম জন্মদিনের কিছুদিন আগে হটাৎ একদিন সে অজ্ঞান হয়ে গেলো..
দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলো...ডাক্তার মেয়েটিকে পরীক্ষা করলো..মেয়েটির বাবাকে বললো, আপনার মেয়ের হার্টে একটি ছিদ্র ধরা পড়েছে..
দ্রুত হার্ট পরিবর্তন না করলে তাকে বাচাঁনো যাবে না...যখন বাবা মেয়েকে দেখতে গেলো... মেয়ে বাবা ! আমি কি মারা যাবো ?
বাবা বললেন, না, তুমিশীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবে।মেয়ে:- তুমি কিভাবে জানো ?
ডাক্তার বলেছে আমার হার্ট বন্ধ হয়ে যাবে।বাবা:- আমি জানি মা, তুমি অবশ্যই সুস্থ হয়ে যাবে।
মেয়েটি দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসারপর একসময় সুস্থ হয়ে বাসায় আসলো...এর মধ্যেই তার বয়স ১৫ বছর হয়ে গেলো…
বাসায় আসার পরে মা তাকে একটি চিঠি পড়তে দিল বাবার লিখা. "প্রিয় মা আমার !তুমি যখন এ চিঠিটি পড়ছো তার অর্থ হলো সবকিছু ঠিকমতোই হয়েছে
এবং তুমি সুস্থ আছো যেমনটি আমি বলেছিলাম...মনে আছে? একদিন তুমি প্রশ্ন করেছিলে, তোমার ১৫তম জন্মদিনে আমি তোমাকে কি উপহার দিবো ।
তখন আমি জানতাম না কি দিবো...কিন্তুযখন তুমি অসুস্থ হয়ে পড়লে তখনই আমি বুঝলাম তোমাকে আমি কি দিতে পারি...
তাই তোমার জন্যে আমার উপহার আমার একমাত্র হার্ট.....আমি তোমাকে এর থেকে কম ভালোবাসি না....."
বাবা - মা কে আমরা কখনো যেন ভুলেও কোন কষ্ট না দেই.....
কারন, তারাই আমাদের ছোটবেলায় সব কষ্ট থেকে আগলে রেখেছিলেন...
খোকা বাবু
। আমি একজনেররোমিও
। তার ভালবাসা আমাকেপাগলু
করে তুলেছে ।সেদিন দেখা হয়েছিল
তার বাবার সাথে। তার বাবাকে দেখলে আমার হার্টলে ছক্কা
র মতো উড়ে যায়। তাই আমাদেরদুই পৃথিবী
আলাদা । আমি দুই পৃথিবী এক করবো কারণ, তাকে দেখলে আমারপরাণ যায় জ্বলিয়ারে
। তাকে না দেখলে আমারমন মানে না
। আমি তাকে বলেছিলামবলনা তুমি আমার
। ও আমাকে বলেছিলোআমি শুধু চেয়েছি তোমায়
এটা শুনার পর আমিবিন্দাস
হয়ে যাই ।একজন ভালো ছেলের কাছে-- ________জীবন মানে " পরীক্ষা"
একজন নষ্ট ছেলের কাছে- ________জীবন মানে " ফুর্তি "একজন ভাল মেয়ের কাছে- ________জীবন মানে " পর্দা"
একজন নষ্টা মেয়ের কাছে- ________জীবন মানে " ব্যাভিচার "একজন বাবার কাছে- ________জীবন মানে " দায়বদ্ধতা "
একজন মায়ের কাছে- ________জীবন মানে " শুধুই দুঃখ "আর একজন সিরিয়াল প্রেমী মহিলার কাছে- ________জীবন মানে " Z বাংলা"
নেট পাগলাদের কাছে- ________জীবন মানে " ফেইসবুক "২. “a quick brown fox jumps over the lazy dog” বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে।
৩. “ i am” সবচেয়ে ছোট ইংরেজি বাক্য।৪. “Education” ও “Favourite” শব্দে সবগুলো vowel আছে।
৫. “Abstemious ও Facetious” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel গুলো ক্রমানুসারে ( a-e-i-o-u) আছে।৬. Q দিয়ে গঠিত সকল শব্দে Qএ পরে u আছে।
৭. Rhythm সবচেয়ে দীঘ ইংরেজি শব্দ যার মধ্যে vowel নাই।৮. Floccinaucinihilipilification সবচেয়ে বেশি vowel সমৃদ্ধ শব্দ যাতে ১৮টি vowel আছে।
৯. vowel যুক্ত সবচেয়ে ছোট শব্দ হল A(একটি) ও I(আমি) ।১০. vowel বিহীন সবচেয়ে ছোট শব্দ হল By।
১১. Assassination মনে রাখার সহজ উপায়হল গাধা-গাধা-আমি-জাতি।১২. Lieutenant শব্দের উচ্চারণ লেফট্যান্যান্ট বানান মনে রাখার সহজ উপায় হল মিথ্যা-তুমি-দশ-পিপড়া।
১৩. “Uncomplimentary” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হলশব্দের vowel গুলো উল্টো ক্রমানুসারে ( u-o-i-e-a) আছে।১৪. “Exclusionary ” ৫টি vowel সমৃদ্ধ এমন একটি শব্দ যার মধ্যে কোন অক্ষরের পূনারাবৃত্তি নাই।
১৫. ”study, hijak, nope, deft ” শব্দগুলোর প্রথম ৩ টি অক্ষর ক্রমানুসারে আছে।১৬. Executive ও Future এমন দুটি শব্দ যাদের এক অক্ষর পর পর vowel আছে।
১৭. 80 কে letter marks বলা হ্য় কারণ L=12, E=5, T=20, T=20, E=5, R=18(অক্ষরের অবস্হানগত সংখ্যা) সুতরাং 12 5 20 20 5 18=80১৮. A1 একমাত্র শব্দ যাতে ইংরেজী অক্ষর ও সংখ্যা আছে।
✿ তাদের জন্য চোখের পলকে চলে যায় যারা সময় শেষ হয়ে যাবার ভয় করে,
✿ তাদের জন্য খুবই ধীর গতিতে যায় যারা কষ্টের মাঝে থাকে,✿ তাদের জন্য খুবই দ্রুত যায় যারা আনন্দে থাকে !!
★ কিন্তু যারা ভালবাসে, তাদের জন্য সময় থেমে যায়, অসীমতার.......স্কারলেট ম্যাকাওকে পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান পাখিদের একটি বিবেচনা করা হয়। একটি পূর্ণ বয়স্ক স্কারলেট ম্যাকাও প্রায় যেকোনো শব্দের অনুকরণ করতে পারে, প্রচুর কথা মনে রাখতে পারে এবং শেখানো হলে বিভিন্ন ট্রিকস শিখে তা প্রয়োগ করে দেখাতে পারে।
বিজ্ঞানীদের ধারনা, একটি পূর্ণ বয়স্ক স্কারলেট ম্যাকাও একটি ৮-১০ বছরের মানুষের বাচ্চার সমান বুদ্ধি ধারন করে।১. আমরা প্রতি রাতেই দীর্ঘ সময় স্বপ্ন দেখি আপনি সম্ভবত শুনে থাকবেন যে যখন চোখের পাতা দ্রুত নড়ে তখনই মানুষ স্বপ্ন দেখে থাকে। কিন্তু নেইমান বলেন, আমরা সবসময়ই স্বপ্ন দেখছি। তবে বেশি স্বপ্ন দেখি চোখের পাতা দ্রুত নড়ার সময়। কিন্তু স্বপ্ন না দেখলেও চোখের পাতা নড়ে এটা জেনে রাখা দরকার। তিনি বলেন, রাতের শেষ তৃতীয়াংশেই স্বপ্ন দেখার ব্যাপারটা ঘটে থাকে।
২. ঘুমের সময় পোকা মাকড়ের চোখের পাতা নড়ে না কিছু স্বপ্ন চোখের পাতা নড়া ছাড়াই দেখা গেলেও REM বা দ্রুত চোখের পাতা নড়ার ঘটনা অন্য প্রজাতির প্রাণিদের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায় বলে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন। পপুলার সায়েন্সের মতে, সব স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ এবং কিছু পাখির ঘুমের সময় চোখের পাতা নড়ে। তাই এদের মধ্যেও যথারীতি স্বপ্ন দেখার বিষয়টি ঘটে।৩. যদি এলার্মে শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তবে স্বপ্নের কথা মনে রাখা কঠিন যদি আপনি এলার্মের শব্দে জেগে ওঠেন এবং ঠাহর করতে না পারেন আপনি কোথায় আছেন কিংবা ঘুম থেকে উঠে মুহূর্তের মধ্যেই মনে হবে আপনি ভেসে আছেন। নেইমান স্বপ্ন মনে রাখার উৎকৃষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, খুব ধীরে ধীরে ঘুম থেকে উঠুন, এক মিনিটের ওপর সময় নিয়ে উঠুন, অলসতার সাথে উঠুন। দ্রুতগামী কোন ছবি সামনে রাখার খুব শক্ত চেষ্টা করবেন না। তিনি বলেন, আপনি যদি স্বপ্নকে তাড়া করেন তাহলে স্বপ্নই পালিয়ে যাবে।
৪.তাদের স্বপ্নই মনে থাকে যারা মস্তিষ্কের বিভিন্ন ক্রিয়া প্রদর্শনে অভ্যস্ত। এটিও ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। মস্তিষ্কের বেশকিছু স্বতঃস্ফূর্ত কার্যকরণের কারণে স্বপ্ন মনে পড়ে।৫. স্বপ্ন দেখার সময় জেগে ওঠার শারীরিক ভঙ্গিমা যারা স্বপ্নের মধ্যেই ঘুম থেকে পাগলের মত জেগে ওঠেন কিছু করা শুরু করেন তাদের সঙ্গে প্রকৃতিস্থ মানুষের পক্ষে কথা বলা সম্ভব হয় না। কিন্তু জীববিজ্ঞান মতে যারা ঘুম থেকে উঠে চোখ খুলতে সময় নেন তাদের ইন্দ্রিয় সক্রিয় হয় বলে নেইমান জানান। তিনি বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, “আমাদের প্রায় হুবহু একই ভাবে শরীরে এবং মস্তিষ্কে স্বপ্ন নিবন্ধনের বিষয়টা চলে।
৬. আমরা বাস্তব সময়েই স্বপ্ন দেখি প্রচলিত আছে আমাদের স্বপ্ন দেখাটা সেকেন্ডে ভেঙে ভেঙে আসে। আদতে বাস্তবতা হচ্ছে স্বপ্ন টানা ২০ মিনিট ৩০ মিনিট এমনকি ঘণ্টাব্যাপী চলতে পারে।৭. দুঃস্বপ্ন সবসময় ভয় থেকে হয় না খারাপ স্বপ্ন নিশ্চয়ই ভীতিকর। কিন্তু অন্যান্য কর্মক্ষত্রের আবেগ থেকেও এটা হতে পারে। ২০১৪ সালে ৩৩৩ জন মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, অনেক দুঃস্বপ্ন এবং খারাপ স্বপ্ন, বিভ্রান্তি, নিরানন্দ এবং অপরাধবোধ, ব্যর্থতার অনুভূতি, জনপ্রিয়তা হারানোর ভয় থেকে দেখা হয়। গবেষকরা এটাও জানান যে, নারীদের খারাপ স্বপ্ন সম্পর্কের দ্বন্দ্ব থেকে এবং পুরুষরা অধিকাংশ দুঃস্বপ্ন সহিংসতা বা শারীরিক আগ্রাসন থেকে দেখে থাকে।
৮. আপনি অদ্ভুত না বলা পর্যন্ত স্বপ্নটা অদ্ভুত নয় আপনি স্বপ্ন দেখছেন, এটা কোন বিষয় না যে আপনি কতটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখছেন। আপনি একটি সবুজ দৈত্য ও কুইন মেরির সঙ্গে তাস খেলছেন, এটাও অদ্ভুত না। আপনি ঘুম থেকে উঠে কোন স্বপ্নটা দেখেছেন এবং সেটা কতটা অদ্ভুত সেটা নির্ণয় করুন। তার সম্পর্কে আপনার অভিমতের ওপরই নির্ভর করবে সেটা কতটা অদ্ভুত ছিল। আপনি জাগ্রত অবস্থাতেই দুই ভিন্ন কোণ থেকে স্বপ্নকে ব্যাখ্যা করুন।৯. স্বপ্নেই মারা যান মানুষের বিশাল একটা অংশ মনে করে যে স্বপ্নে মারা যাওয়া অর্থ সে মরে যাবে। কিন্তু নেইমান বলেন, এর কোন সত্যতা নেই। তিনি বলেন, আপনি যদি স্বপ্নে দীর্ঘ সময় মারা যাওয়ার সুযোগ পান তবে সেই সুযোগ গ্রহণ করুন।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টেরনেট০২. আপনি কখনই একসাথে নাক ডাকতে এবং স্বপ্ন দেখতে পারবেন না।
০৩. গড়ে একজন মানুষ বছরে ১৪৬০টি স্বপ্ন দেখে। অর্থাৎ প্রতি রাতে গড়ে প্রায় ৪ টি।০৪. আমাদের মস্তিষ্ক কোন চেহারা তৈরী করতে পারে না। আমরা স্বপ্নে যে সব চেহারা দেখি তার সবগুলোই আমরা আমাদের জীবনে কখনও না কখনও দেখেছি। আমাদের জীবনে আমরা পথে ঘাটে অসংথ্য চেহারা দেখি যা মনে রাখতে পারি না। কিন্তু আমাদের সাবকনসাস মাইন্ড তা ধরে রাখে এবং স্বপ্নে তা দেখায়।
০৫. প্রতিটি মানুষই স্বপ্ন দেখে। যদি আপনি মনে করেন আপনি স্বপ্ন দেখেন না তার অর্থ হয় আপনি তা মনে রাখতে পারেন না নয়ত আপনি জটিল কোন মানসিক রোগে ভুগছেন।০৬. মানুষ তার জীবনের প্রায় ৬ বছর স্বপ্ন দেখে কাটায়।
০৭. সাধারনত গর্ভবতী মহিলারা অন্যান্যদের চেয়ে বেশী স্বপ্ন মনে রাখতে পারে। তার কারণ, গর্ভকালীন সময়ে তাদের অতিমাত্রায় হরমোনের পরিবর্তন হয়।০৮. স্বপ্ন দেখার ৫ মিনিটের মধ্যে আমরা তার ৫০শতাংশ ভুলে যাই, ১০ মিনিটের মধ্যে ভুলে যাই প্রায় ৯০ শতাংশ।
০৯. আমরা সাধারনত প্রায় ৯০ থেকে ১৮০ মিনিট স্বপ্ন দেখি যেখানে, গড়ে একটি স্বপ্নের স্থায়িত্ব হয় ১০ থেকে ১৫ মিনিট। সবচেয়ে লম্বা সময় স্বপ্ন দেখি সকালে যার স্থায়িত্ব ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট।১০. সাধারণত শিশুরা দুঃস্বপ্ন বেশি দেখে।
• এর চেয়েও অদ্ভুত প্রাণী হল পিঁপড়া যে কখনও ঘুমায়ই না ।
• জলহস্তি দম বন্ধ করে ৩০ মিনিট একটানা জলের নিচে থাকতে পারে ।• জিরাফ এমন একটা প্রাণী যার একটি শক্ত লাথিতে নিমেষেই একটি সিংহ মারা যেতে পারে ।
• পৃথিবীর একমাত্র প্রাণী গরু যেটি সিড়ি দিয়ে উঠতে পারে কিন্তু নামতে পারে না ।• তুলনামূলক পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী হল পিঁপড়া যে নিজের ওজনের ০৯ গুণ ওজনবহন করতে পারে ।
• পৃথিবীর একমাত্র প্রাণী ফড়িং যার কান থাকে হাঁটুতে ।একজন মানুষ তার পুরো জীবনে এতো লালা তৈরি করে, যা দিয়ে দুটি সুইমিংপুল ভরা যাবে।
অনেক সময় প্রসাব আটকিয়ে রাখলে আপনার মনে হতে পারে মূত্রথলী অনেক বড় হয়ে গেছে। আসলে তা হয়নি।বেশিরভাগ শিশু নীল বর্ণের চোখ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর রঙ বদলে যায়।
একজন পশ্চিমা জীবদ্দশায় গড়ে ৫০ টন খাবার এবং ৫০,০০০ হাজার লিটার দুধ কিনে থাকে।আঙ্গুলের নখ ঝরে পড়লে নতুন করে তৈরি হতে সময় নেয় ১ থেকে ২ বছর।
চোখকে নিয়ন্ত্রণ করার মাংসপেশী দিনে ১ লাখ বার কাজ করে।মানুষের পুরো জীবনে কমপক্ষে ৪০ পাউন্ড ত্বক খসে পড়ে।
মানুষের মস্তিষ্ক ২০ শতাংশ অক্সিজেন এবং ক্যালোরি গ্রহণ করে।মানুষের প্রতিটি কিডনিতে রয়েছে ১ লাখ ফিল্টার, যা প্রতি মিনিটে ১ দশমিক ৩ লিটার রক্ত পরিস্কার এবং ১ দশমিক ৫ লিটার প্রসাব তৈরি করে ।
একজন নারীর ডিম্বাশয়ে ৫ লাখ ডিম্বানু থাকে কিন্তু সন্তান উত্পাদনের জন্য কাজ করে মাত্র ৪০০ ডিম্বানু।পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের প্রসাবের গন্ধ আলাদা ।
পাকস্থলী নিজেকে হজম করে ফেলে না কেন? কারণ পাকস্থলীর কোষ ধ্বংস হওয়ার আগেই তৈরি হয়ে যায়।শরীরের একবিন্দু ঘাম সৃষ্টিতে কাজ করে আধা-মিলিয়ন ঘামগ্রন্থি ।
মানুষ জীবনের ৯০ শতাংশ তথ্য চোখের সাহায্যে সংগ্রহ করে।মানুষের প্রতি পাউন্ড হাড় কংক্রিটের চেয়ে চারগুণ মজবুত।
মানুষের শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ হলো ত্বক। প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষের ত্বক 20 ফুট লম্বা হয়ে থাকে।কোন কিছুর স্বাদ গ্রহণের জন্য আমাদের লালা সেটিকে অদৃশ্য করে দেয়।
একজন পুরুষ প্রতিদিন ছয় মিলিয়ন শুক্রানুর জন্ম দেয়। যা দিয়ে ছয় মাসে পুরো পৃথিবীর জনসংখ্যা পূরণ করা যাবে।প্রতি ৩০ মিনিটে মানুষের শরীর যে পরিমাণ উত্তপ্ত হয় তা দিয়ে অর্ধেক গ্যালন জল ফুটানো যাবে।
আমাদের ফুসফুসে ৩০ কোটি সূক্ষ্ম নল আছে। এই নলগুলো একটি পর একটি জোড়া লাগালে এর দূরত্ব হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা থেকে লস অ্যাঞ্জেলস পর্যন্ত।যারা ঘন ঘন স্বপ্ন দেখে তাদের বুদ্ধিমত্তা অন্যদের তুলনায় বেশি।
মানুষ ঘুমুতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে জাগ্রত অবস্থার তুলনায় এক সেন্টিমিটার খাটো হয়। কারণ মেরুদণ্ডের তরুণাস্থি ঘুমের সময় ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসে।২.পৃখিবীতে প্রথম যে এলার্মক্লকটি তৈরী করা হয় তা শুধুমাত্র সকাল ৪টায় এলার্ম দিতো। কি কেউ চান এই ঘড়িটি?
৩. BMW গাড়ির কথা সবাই শুনেছি। যতটুকু জানি অনেক দামী গাড়ি। বিশ্বের সবচেয়ে দামী গাড়ি তৈরী করে এই কোম্পানী। কিন্তু জানেন কি এই কোম্পানিটি ছিল বিমানের ইঞ্জিন তৈরী করার জন্য। পরে এটি গাড়ি তৈরী করা শুরু করে এবং সাফল্যতো চোখের সামনেই।৪. জানেন কি একটি সাধারণ কার(car) তৈরী করতে নাকি প্রায় ৩৯০৯০ গ্যালন জল লাগে। আমার নিজেরই বিশ্বাস হয়না এই কথা। কিন্তু নেটে এটার অনেক রেফারেন্স। একটি টায়ার তৈরী করতেই নাকি ৫১৮ গ্যালনের মত জল লাগে।
আপেলের বীজে সায়নাইড (সবচেয়ে মারাত্মক বিষ) রয়েছে।
সারা বিশ্ব একবার ঘুরে আসতে পারে এমন লম্বা মাকড়শার জালের ওজন হবে মাত্র এক পাউন্ডচীন দেশের সবাই যদি একবার, একসাথে ৩/৪ ফুট উপর থেকে মাটিতে লাফ দিয়ে পড়ে তাহলে পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে সরে যাবে।
সবচেয়ে ছোট যুদ্ধ হয় ১৮৯৬ সালে ব্রিটেন ও জাঞ্জিবার এর মধ্যে – মাত্র ৩৮ মিনিটনিজেই নিজেকে সুরসুরি দেওয়া যায় না – এটা চেস্টা করতে পারেন।
মানুষের ফুসফুস প্যাচানো বা কোকড়ানো। এটাকে ছড়িয়ে মাদুরের মতন বিছিয়ে দিলে এটি প্রায় একটি টেনিস কোর্টের সমান বড় হবে।কুকুরের শ্রবন শক্তি অসাধারন। আমরা যেই শব্দটা ১০ ফুট দূর থেকে শুনতে পাই সেই শব্দটা কুকুর ১০০ ফিট দূর থেকেও শোনে।
সবচেয়ে বেশী মানুষের মৃত্যু ঘটায় যে প্রানী – মশাবিশ্বের সব মানুষকে যদি (অনুপাত ঠিক রেখে) ১০০ জনে নামিয়ে আনতে পারেন। তাহলে এর মধ্যে ৫৭ জন এশিয়ান, ২১ জন ইউরোপিয়ান, ১৪ জন আমেরিকান ও ৮ জন আফ্রিকান পাবেন। আর নিজের কম্পিউটার আছে এমন লোক পাবেন মাত্র ১ জন।
হাতি পায়ের আঙ্গুলের উপরে ভর করে হাটে কারন তাদের পাতার পেছনের অংশটিতে কোন হাড় নেই, শুধুই চর্বি।তোমার মতোই শিম্পাঞ্জিরাও হ্যান্ডশেক করে ভাব বিনিময় করে!
অক্টোপাসকে কি হৃদয়বান বলা যায়? ওর দেহে যে তিনটি হৃৎপিণ্ড আছে!১০০ বছর আগেও বোর্নিওতে মানুষের মাথার খুলি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো ।
একটি পোকাখেকো ফ্যালকন পাখি তোমার চেয়েও চোখে বেশি দেখে। সে আধামাইল দূর থেকেই একটা ফড়িংকে ঠিক ঠিক শনাক্ত করতে পারে।অতীতে রোমান সৈন্যরা বিশেষ এক ধরনের পোশাক পরত। এই পোশাকটাই এখন মেয়েদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। পোশাকটার নাম স্কাট্ ।
ডলফিন একচোখ খোলা রেখে ঘুমায়। তুমিও একটু চেষ্টা করে দেখো, সম্ভব কি না।তুমি কি জানো, এক পাউন্ড বিশুদ্ধ তুলা থেকে ৩৩ হাজার মাইল লম্বা সুতা তৈরি সম্ভব!
আমাদের ত্বকের প্রতি বর্গইঞ্চিতে প্রায় ৬২৫টি ঘামগ্রন্থি আছে। ওগুলো এতো সূক্ষ্ম যে তুমি গুনে দেখতে চাইলেও পারবে না।পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমাণ লবণ আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট পুরু লবণের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে ।